মুঠোফোন সেবা: সরকার কর ও ফি বাবদ কেবল ৫৬ টাকা নেয়
ম ঠ ফ ন স ব – মোবাইল অপারেটরদের সাথে বিশ্লেষকদের মতামত প্রকাশ করা হয়েছে যে, মুঠোফোন সেবা থেকে আয় থেকে সরকার কেবল ৫৬ টাকা কর ও ফি আদায় করে। প্রতিবেশী এবং সমপর্যায়ের অর্থনীতির দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে পিছিয়ে আছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এ জন্য মূলত স্মার্টফোনের চড়া দাম ও মুঠোফোন সেবার বাড়তি মূল্যকে দায়ী করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতামত
প্রতিবেশী ও সমপর্যায়ের অর্থনীতির দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে পিছিয়ে আছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এ জন্য মূলত স্মার্টফোনের চড়া দাম ও মুঠোফোন সেবার বাড়তি মূল্যকে দায়ী করা হচ্ছে।
অপারেটরদের তথ্য বলছেন, বর্তমানে মুঠোফোন সেবায় ১৮ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট), ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ১ শতাংশ সারচার্জ দিতে হয় গ্রাহককে। সব মিলিয়ে গ্রাহকের ঘাড়ে মোট করভার দাঁড়ায় ৩৯ শতাংশ। নতুন সিম কেনা অথবা হারিয়ে যাওয়া সিম ওঠাতে দিতে হয় ৩০০ টাকা। অপারেটরদের মুনাফার ওপরে করের হার ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ।
তরঙ্গ ক্রয় ও ব্যয়
মোবাইল অপারেটরগুলোকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সঙ্গে রাজস্ব ভাগাভাগি করতে হয়। হার সাড়ে ৫ শতাংশ। সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলে দিতে হয় ১ শতাংশ। সব মিলিয়ে মোট আয়ের ৫৬ শতাংশ চলে যায় সরকারের তহবিলে। বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘ডিজিটাল জীবনধারা: সংযোগে স্থিতি, সহনশীলতায় শক্তি’।
টেলিযোগাযোগ খাত থেকে সরকার দুভাবে রাজস্ব আদায় করে। একটি হলো কর, অন্যটি তরঙ্গসহ বিভিন্ন ফি। অপারেটরগুলোকে নিয়মিত উচ্চমূল্যে তরঙ্গ কিনতে হয় এবং তা নবায়ন করতে হয়। যেমন সর্বশেষ গ্রামীণফোন ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের তরঙ্গ কিনেছে মেগাহার্টজ-প্রতি ২৩৭ কোটি টাকা দিয়ে। মোট ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ১৯ কোটি টাকা।
মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম বলেন, টেলিযোগাযোগ অপারেটরদের ওপর কার্যকর কর ও বাধ্যতামূলক পরিশোধের চাপ দাঁড়ায় ৬৮ থেকে ৭২ শতাংশ। এতে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগের সুযোগ খুব সীমিত হয়ে পড়ছে। ১৫ বছর ধরেই শিল্প খাতটি এ বাস্তবতার মুখোমুখি। এদিকে এ বছরই সব অপারেটরকে �
