ইশ মা যদি দেখতেন! সংকট থেকে উদ্ভাবন দ্বারা বাঁচানো হয়েছে বাংলাদেশী কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ব্যবহারকারীদের সমস্যার সমাধান
ইশ ম যদ দ খত ন – ইশ মা যদি দেখতেন বলে ভাবতেন কি জারজিস সাজিদান কে? তিনি মারা যাওয়া মায়ের ও ভাইয়ের সম্মুখীন হওয়া সংকট থেকে বাঁচানোর জন্য কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ব্যবহারের সমস্যার সমাধান খুঁজছিলেন। এই জন্য তিনি মা নামে গড়ে ওঠে শিরিন সাজমিলা ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশনের পরিচালনায় তাঁর কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিনা খরচে চলাচলের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি সফল উদ্ভাবন প্রকাশ করেছেন বিশ্বস্ত পুরস্কার পেয়েছেন।
গঠনের স্থাপন এবং আপনার ছেলে কি পারবে না?
জারজিসের সম্প্রতি ক্যানসারে ভুগতেন মা ও দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া বোনকে সম্মুখীন হওয়া সময় দশম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। ইউনাইটেড ওয়ার্ল্ড কলেজের সাক্ষাৎকারে তাঁর বোন সাজমিলা ভর্তি প্রস্তুতি নিচ্ছিল। চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গেলে মা ও বোন দুর্ঘটনার শিকার হন। এই পরিস্থিতিতে জারজিস অত্যন্ত গভীর সময় অনুভব করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আমার ছেলে বড় কিছু করবেই। ওকে না পেলে আপনাদেরই ক্ষতি হবে।”
একটু সাপোর্ট দিতে জারজিস কিছু করতে পারেনি কিন্তু দুর্ঘটনার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও তিনি ইশ মা যদি দেখতেন বলে ভাবতেন কে দ্বারা কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিনা খরচে চলাচলের প্রতিক্রিয়া খুঁজে বের করতে বাধ্য হন। তার পরিবারের সম্প্রতি প্রাপ্ত শিরিন সাজমিলা ফাউন্ডেশন সেই প্রতিক্রিয়া থেকে জন্ম নেয়।
বাংলাদেশের মানুষের জন্য সমাধান
আমদানি করা কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গের খরচ পড়ে ৫-২০ লাখ টাকা বলে প্রকাশ করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের মতো দেশে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য খুব বেশি বোঝাই হয়। কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বাতাসে আর্দ্রতা বেশি অঞ্চলে কাজে লাগে না। এই সমস্যার মুখে পড়ে জারজিস সম্প্রতি কী করে কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিনা খরচে চলাচলের সমাধান খুঁজেছেন তা দেখানো হয়েছে ফাউলার গ্লোবাল সোশ্যাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ২০২৬ এর জুন কর্তৃপক্ষ পরিচালিত প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ সম্পূর্ণ কাজে লাগে।
সমাধানটি আর্দ্রতা, অসমতল রাস্তা এবং সীমিত চিকিৎসা সুবিধার মধ্যেও কার্যকর হতে পারে। বিশেষ করে প্রতিযোগিতায় কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিনা খরচে চলাচলের সমাধান সংকলন করেছেন তাঁর জারজিস সাজিদান কে এবং তাঁর ফাউন্ডেশন দিয়ে কী করা হয়েছে তা সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। তিনি বলেছেন, “ইশ মা যদি দেখতেন বলে ভাবতেন কি জারজিস কে সেই সমস্যার কারণে দুর্ঘটনার শিকার মানুষের জন্য কিছু একটা করা যায় তা চিন্তা করছিলাম।”
খুব কঠিন সময় সংকট থেকে উদ্ভাবন
জারজিসের পরিবারে মা ও বোন দুই জনে সম্প্রতি মারা যাওয়ার পর তিনি কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিনা খরচে চলাচলের সমাধান খুঁজেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে গঠিত উদ্ভাবন বিশ্বস্ত পুরস্কার পেয়েছে। শিরিন সাজমি�
