হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে তথ্যের ঘাটতি
হ ম র স ক রমণ পর – বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রোগতাত্ত্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে হামের প্রাদুর্ভাব হ্রাস পেয়েছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কমছে না। মে মাসের প্রথম দিন এবং গতকাল শেষ দিনে ভর্তি রোগী সংখ্যা প্রায় তিন হাজারের বেশি রয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মে মাসের শুরুতে হাম শনাক্ত হওয়া রোগী সংখ্যা তিন হাজারের মোট ছিল। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে তথ্যে স্পষ্টতা ও বিস্তারিততা প্রয়োজন। তারা বলছেন, অধিদপ্তরের ডেটা পরিসংখ্যানে ঘাটতি আছে।
গতকাল রোববার (৩১ মে) সমন্বিত নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গের কারণে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। ১ হাজার ৩২৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য আসে। তাতে দেখা যায়, পূর্বের সপ্তাহের (১১–১৭ মে) তুলনায় মৃত্যুর হার কমেছে। এ সময় পূর্বের সপ্তাহে হাম শনাক্ত হওয়া রোগী সংখ্যা ৫৩ জন হয়েছে।
টিকা কার্যক্রমের প্রভাব
সরকার ৫ এপ্রিল থেকে শিশুদের (৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী) টিকাদান কর্মসূচি চালু করে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী টিকাদানের হার ১০২ শতাংশ। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সংখ্যক শিশু টিকা পেয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সাধারণত পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে হার বেশি দেখাচ্ছে বলে কর্মকর্তারা মনে করেছেন।
টিকা দেওয়ার ফলে শিশুদের হাম প্রতিরোধ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করছেন। তারা বলছেন, টিকা পাওয়া ও হাম আক্রান্ত হওয়া সম্পর্কে রোগতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে প্রকোপ হ্রাস পেয়েছে।
১ মে দেওয়া তথ্যে সমন্বিত নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, হাম উপসর্গের কারণে মৃত্যু হয়েছে ২৩১ জন এবং নিশ্চিত হামে ৪৯ জন। মোট মৃত্যু ছিল ২৮০ জন। সেই সময় হাসপাতালে ভর্তি ছিল ৩ হাজার ১৭০ জন রোগী।
মে মাসে সংখ্যাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এক মাসে মৃত্যু হয়েছে ৩০৫ জনের। অর্থাৎ দৈনিক মৃত্যুর হার ১০ জন। তবে শেষ দিন ও প্রথম দিনে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রায় তিন হাজারের বেশি রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সপ্তাহিক রোগতাত্ত্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী পরপর দুই সপ্তাহে হামের প্রকোপ কমছে। ২৬ মে প্রতিবেদনে দেখা যায়, নিশ্চিত হামের রোগী ওই সাত দিনে ২২ শতাংশ কমেছে। হাম উপসর্গ থাকা রোগী সংখ্যা ২ শতাংশ বেড়েছে। এ সময় হাম উপসর্গ
