Uncategorized

নবীজির জন্মতারিখ: ১২ নাকি ৯ রবিউল আউয়াল?

নব জ র জন মত র খ - প্রতি বছর রবিউল আউয়াল মাসের আগমনের সঙ্গে মুসলিম সমাজে ফিরে আসে একই উৎসবমুখী আবেগ। তবে সেই আবেগের পেছনে লুকিয়ে আছে একটি শতাব্দী-প্রাচীন

Desk Uncategorized
Published August 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
GeminiGeneratedImageatgo1uatgo1uatgo
Foto : Jennifer Rodriguez - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. নবীজির জন্মদিন: রবিউল আউয়ালের কোন তারিখ? ১২ নাকি ৯?
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

নবীজির জন্মদিন: রবিউল আউয়ালের কোন তারিখ? ১২ নাকি ৯?

Banglaprabah.com – নব জ র জন মত র খ – প্রতি বছর রবিউল আউয়াল মাসের আগমনের সঙ্গে মুসলিম সমাজে ফিরে আসে একই উৎসবমুখী আবেগ। তবে সেই আবেগের পেছনে লুকিয়ে আছে একটি শতাব্দী-প্রাচীন ঐতিহাসিক সমস্যা—নবীজির জন্মতারিখ। সাধারণ মানুষের ভাষায় এই প্রশ্নের উত্তর প্রায়ই ১২ রবিউল আউয়াল। কিন্তু সিরাত-সাহিত্যের পাতাগুলো যখন খোলা হয়, তখন দেখা যায় বিষয়টি এত সহজ নয়।

সোমবার নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই

মুসলিম ঐতিহ্যে এক বিষয়ে দ্বিমতের অবকাশ নেই: মহানবী (সা.) সপ্তাহের সোমবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। নফল রোজার প্রসঙ্গে তাঁর নিজের উক্তিই এ বিষয়ে নির্ণায়ক—

“এই দিনেই আমি জন্মগ্রহণ করেছি, আর এই দিনেই আমার ওপর প্রথম ওহি অবতীর্ণ হয়েছে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬২)

সোমবারের বিষয় নিশ্চিত হলেও সেই সোমবার রবিউল আউয়ালের কোন তারিখে পড়েছিল—তা নিয়ে সাহাবি-পরবর্তী ঐতিহাসিকদের বিবরণে একাধিক ভিন্ন মত পাওয়া যায়।

প্রাক-ইসলামি সময়গণনার জটিলতা

ইসলাম আগমনের পূর্ববর্তী আরবে কোনো ধারাবাহিক পঞ্জিকা-ব্যবস্থা ছিল না। বছর চিহ্নিত করা হতো কোনো বড় ঘটনার স্মৃতি-সংকেতের মাধ্যমে। ইয়েমেনের শাসক আবরাহা যখন হস্তী-বাহিনী নিয়ে কাবার ওপর আক্রমণ চালালেন, সেই বছর পুরো আরব বিশ্ব ডাকত ‘আমুল ফিল’—হস্তী বর্ষ।

“ইবনে হিশাম, আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ, ১/১৫৮, দারুল কিতাবিল আরাবি, বৈরুত, ১৯৯০”

এরপর সময় উল্লেখের প্রচলিত পদ্ধতি ছিল আপেক্ষিক: ‘হস্তী বর্ষের অমুক মাসে’ বা ‘নবুয়তের অমুক বছরে’। এই আপেক্ষিক কাঠামোর ফলেই শতাব্দী ধরে নবীজির জন্মদিন নিয়ে পরস্পরবিরোধী বর্ণনা ঐতিহাসিক রেকর্ডে টিকে আছে।

ঐতিহাসিক রেকর্ডে কতগুলো তারিখ?

ইমাম নববি স্পষ্টভাবে লিখেছেন: সোমবারে এবং রবিউল আউয়ালে জন্ম—এতে সবাই একমত। তবে দিন-তারিখ নিয়ে চারটি প্রধান মত প্রচলিত: ২, ৮, ১০ ও ১২ রবিউল আউয়াল।

“নববি, তাহজিবুল আসমা ওয়া লুগাত, ১/২৩, দারুল কুতুবিল ইলমিyyah, বৈরুত, ১৯৯৬”

ইবনে সাইয়িদ আন-নাসের বিস্তৃত তালিকায় ৯ রবিউল আউয়ালের উল্লেখও রয়েছে।

“ইবনে সাইয়িদ আন-নাস, উয়ুনুল আসার ফি ফুনুনিল মাগাজি ওয়াশ শামায়িল ওয়াস সিয়ার, ১/৪১, দারুল কলম, বৈরুত, ১৯৯৩”

জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে ১২ তারিখ সবচেয়ে বেশি প্রচলিত হলেও, ঐতিহাসিক ও গাণিতিক যৌক্তিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে সব বর্ণনা সমানভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।

হিজরতকে শূন্যবিন্দু ধরে গণিতের কাঠামো

সিরাতের বিক্ষিপ্ত ঘটনাকে একটি অবিচ্ছিন্ন সময়রেখায় সাজাতে গবেষকেরা হিজরতকে শূন্যবিন্দু হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। হিজরতের পূর্ববর্তী সব ঘটনা ঋণাত্মক সংখ্যায়—’হিজরি পূর্ব’ (ق.هـ)—সংকেতিত হয়। নবীজি ৫৩ বছর বয়সে মদিনায় হিজরত করেন; সুতরাং তাঁর জন্মবর্ষ দাঁড়ায় ৫৩ হিজরি পূর্বে। এই স্থির কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে প্রাচীন বর্ণনাগুলোকে গাণিতিক ও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক মানদণ্ডে পরীক্ষার পথ খুলে যায়।

আল-খোয়ারিজমির হিসাব: আট তারিখ

এই জট খোলার প্রথম উল্লেখযোগ্য প্রয়াস রেখে গেছেন মধ্যযুগের প্রখ্যাত গণিতবিদ, ভূগোলবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-খোয়ারিজমি (মৃ. ২৩২ হি.)। বীজগণিতের জনক হিসেবে পরিচিত এই পণ্ডিত আরব জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক সারণি-নির্মাণেও সমান দক্ষতা দেখিয়েছিলেন।

ইবনে সাইয়িদ আন-নাসের উদ্ধৃতি অনুযায়ী খোয়ারিজমির হিসাব ছিল এই: হস্তী বর্ষের মহররম মাস শুরু হয়েছিল জুমার দিনে; হাতির বাহিনী মক্কায় পৌঁছায় মহররমের তেরো দিন বাকি থাকতে, রোববারে। তার ঠিক পঞ্চাশ দিন পর—রবিউল আউয়ালের আট তারিখ, সোমবারে—নবীজির জন্ম ঘটে, যা খ্রিষ্টীয় বর্ষপঞ্জিতে পড়ে ২০ এপ্রিল।

“ইবনে সাইয়িদ আন-নাস, উয়ুনুল আসার, ১/৪১”

পরবর্তীকালে ইবনে কাসিরও এই হিসাবের সত্যতা স্বীকার করে লিখেছেন, খোয়ারিজমি ও যুগের গণনাবিদগণ (আহলুল হিসাব) একমত হয়েছিলেন যে জন্ম আট রবিউল আউয়ালেই। যদিও ইবনে দিহইয়া (মৃ. ৬৩৩ হি.) দশ তারিখের কথা বলেছেন আর ইবনে আবদিল বার (মৃ. ৪৬৩ হি.) দুই তারিখের কথা।

“ইবনে কাসির, আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যা মুকতাদাবান মিনাল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১/১৬০, দারুল ফিকর, বৈরুত, ২০০৫”

খোয়ারিজমির এই কাজের গুরুত্ব এই যে, তিনি নিছক শোনা-কথার

Frequently Asked Questions

What is নব জ র জন মত র খ?

নব জ র জন মত র খ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does নব জ র জন মত র খ matter?

নব জ র জন মত র খ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment