Uncategorized

ট্রাম্পের পছন্দে চুক্তি করবে না ইরান

ট র ম প র পছন দ - স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা যখন সম্পূর্ণভাবে আটকে পড়েছে, তখন ইরান ঘোষণা করেছে যে তারা এখন 'পুরোপুরি আক্রমণাত্মক'

Desk Uncategorized
Published August 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
ICC_Trump_Administration_3
Foto : Jessica Brown - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় গভীর সংকট: ট্রাম্পের চুক্তি-বিরোধী অবস্থান
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় গভীর সংকট: ট্রাম্পের চুক্তি-বিরোধী অবস্থান

কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির, ইরান ‘আক্রমণাত্মক’ পথে

Banglaprabah.com – ট র ম প র পছন দ – স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা যখন সম্পূর্ণভাবে আটকে পড়েছে, তখন ইরান ঘোষণা করেছে যে তারা এখন ‘পুরোপুরি আক্রমণাত্মক’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে। এই ঘোষণা দিয়েছে দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।

গত সোমবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সম্মুখে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি যে ধরনের চুক্তি প্রত্যাশা করেন, ইরান সেটি স্বাক্ষর করবে না।

আমার কাছে যে চুক্তিকে প্রয়োজনীয় মনে হয়, তারা (ইরান) সে ধরনের কোনো চুক্তি করবে না। আমরা এখানে একটি মাত্র কারণেই আছি। ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবে না।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদকের টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও কঠোর ভাষা ব্যবহার করে ইরানের ‘আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা ওঠানো উচিত’ বলেছেন।

জুনের সমঝোতা কীভাবে ভেঙে পড়েছে

গত জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে উভয় পক্ষ ‘সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করার’ প্রতিশ্রুতি দেয়। স্মারকের আওতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা চালানোর বাধ্যবাধকতা গ্রহণ করেছিল; পারস্পরিক সম্মতিতে এই সময়সীমা বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছিল।

তবে এই সমঝোতা দ্রুতই ধ্বংসের পথে চলে যায়। ৭ জুলাই ট্রাম্প ঘোষণা করেন, চুক্তিটি ‘শেষ’ হয়ে গেছে। মাত্র এক সপ্তাহ পরে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চুক্তিটি ‘স্থগিত’ ঘোষণা করে। সোমবার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ৬০ দিন পূর্ণ হয়।

ইরানের সঙ্গে কোনো অন্তর্বর্তী চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর ইচ্ছা আছে কি না—এ প্রশ্নে ট্রাম্পের উত্তর ছিল এককথায়: ‘না’।

হরমুজ প্রণালি ও ওমান সমীকরণ

তেহরান স্পষ্ট করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ২০ শতাংশ সরবরাহ এই প্রণালির মাধ্যমেই চলত।

বর্তমানে হরমুজে বাণিজ্যিক নৌচলাচল পুনরায় চালু করতে ওমান ও ইরান আলোচনা করছে। ট্রাম্প ফক্স নিউজকে হুমকি দিয়েছেন: ওমান যদি বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তবে তাদের ‘বোমা মেরে উড়িয়ে দেব’।

ওভাল অফিসে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করেন, ওমানের প্রতি তাঁর ধৈর্যচ্যুতি ঘটেছে কি না। ট্রাম্প উত্তর দেন:

না, আমি মনে করি না, তারা খুব একটা ভালো আচরণ করেছে। তবে আমরা অন্যান্য বিষয়ের মতো তাদেরও খুব সহজেই মোকাবিলা করব।

আন্তরিক চাপ ও নির্বাচনী প্রেক্ষাপট

হরমুজ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের ফলে জ্বালানি দাম বেড়ে গেছে, দেশে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাচ্ছে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধ শেষ করার চাপ তাঁর ওপর বৃদ্ধি পেয়েছে—এই নির্বাচনই যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে তা নির্ধারণ করবে।

তবে ট্রাম্প ফক্স নিউজকে দাবি করেছেন, ইরান-নীতিতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোনো প্রভাব নেই। তিনি বলেন, ‘আমার চিন্তাভাবনার সঙ্গে মধ্যবর্তী নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।’

সোমবার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে তাঁর পোস্টে লেখা হয়:

এক নম্বর লক্ষ্য হলো এবং সব সময় তা-ই থাকবে, ইরানের কাছে কোনোভাবেই কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবে না।

গালিবাফের শর্তপত্র

গতকাল ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত মন্তব্যে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্র জুনের চুক্তির শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধই থাকবে। পার্লামেন্টে তিনি বিস্তারিত শর্ত তুলে ধরেন: ইরানি সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার, তেল খাতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, তেহরানের অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্তকরণ এবং সব ফ্রন্টে হুমকি ও সামরিক অভিযান বন্ধ করা।

Frequently Asked Questions

What is ট র ম প র পছন দ?

ট র ম প র পছন দ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ট র ম প র পছন দ matter?

ট র ম প র পছন দ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment