উগ্রবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগে মামুন হোসেনকে রিমান্ডে গ্রেপ্তার
Banglaprabah.com – উগ রব দ সম প ক তত – ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মো. মামুন হোসেনকে (২৬)। আদালত তাঁকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন।
মামুনের দাবি: সন্ত্রাসবিরোধী মামলা সত্ত্বেও নিরাপদ সাক্ষরতা
মামুন নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং তিনি বলেন, তাঁর সাক্ষরতা ছিল শ্রমিক ভিসায় কাতার যাওয়ার জন্য। পুলিশ তাঁকে আটক করেছিল রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে। আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান মোল্লা।
আদালতে তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দুটি মামলা বিচারাধীন থাকলেও তিনি জামিনে রয়েছেন এবং বিদেশ যেতে আদালত কোনো নিষেধাজ্ঞা দেননি। তিনি শ্রমিক ভিসায় কাতার যাচ্ছিলেন, কিন্তু অকারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বলেন, মামুনের ব্যবহৃত মুঠোফোন এবং অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস পরীক্ষা করা প্রয়োজন। বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁর যোগাযোগ, সহযোগীদের তথ্য, অর্থের উৎস এবং নাশকতার পরিকল্পনা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
রিমান্ড আবেদনের যৌক্তিকতা সম্পর্কে বিচারকের প্রশ্ন
শুনানিতে বিচারক জানতে চান, রাষ্ট্রপক্ষ যে তথ্য তুলে ধরেছে তা কেন রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তিনি আদালতকে ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যথাযথভাবে উপস্থাপনের নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষ আরও জানায়, মামুনের কাছ থেকে একাধিক মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। এসব ডিভাইস বিশ্লেষণ এবং সম্ভাব্য সহযোগী, অর্থের উৎস ও বিদেশি যোগাযোগ সম্পর্কে জানতে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
মামুন এর আগে সাত দিনের রিমান্ডে জেলে গেছেন গেন্ডারিয়া থানার একটি মামলায়। ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে জোর করে জবানবন্দি নেওয়া হয়েছিল। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, মামুন একজন নির্দোষ ব্যক্তি। তিনি শ্রমিক ভিসায় কাতার যাচ্ছিলেন এবং তাঁর কোনো উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই।
আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, মামুন হোসেন মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ পাইকপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ সময় তাঁর বিরুদ্ধে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও গেন্ডারিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। মামলা�

