Uncategorized

সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ পেছাল, পরবর্তী তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর

স ব ক আইজ প ব নজ - ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন আজ সোমবার এক সিদ্ধান্তে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শকের বিরুদ্ধে চলমান অবৈধ সম্পদ অর্জন

Desk Uncategorized
Published August 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
084158BENJIR082729
Foto : Jessica Brown - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্যের নতুন তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি মামলায় সাক্ষ্যের নতুন তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর

আদালতের সিদ্ধান্ত

Banglaprabah.com – স ব ক আইজ প ব নজ – ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুন আজ সোমবার এক সিদ্ধান্তে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শকের বিরুদ্ধে চলমান অবৈধ সম্পদ অর্জন মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ পিছিয়ে দিয়েছেন। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে পরবর্তী সাক্ষ্যের দিন।

সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের সহকারী আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাই বিচারক নতুন তারিখ ঘোষণা করেন।

সাক্ষ্যগ্রহণের বর্তমান অবস্থা

মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের জবানবন্দি গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গত ১৬ জুলাই বস্ত্র অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (কারিগরি) মো. ফয়সাল কবির আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন।

মামলার প্রেক্ষাপট

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের কয়েক মাস পূর্বে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলার পর তদন্তে সংযুক্ত হয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগের পরপরই তিনি দেশ ছেড়ে যান।

সেই বছরের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত সমাপ্তির পর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপনকরণ ও অর্থ পাচারের অভিযোগে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা হাফিজুল ইসলাম।

আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে বেনজীর আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় গত ৩ মে অনুপস্থিতিতে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারের আনুষ্ঠানিক শুরু ঘোষণা করা হয়।

সম্পদ বিবরণী ও তদন্তের ফলাফল

অভিযোগপত্রে উল্লেখ আছে, বেনজীর আহমেদ তাঁর জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ 89 হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ ঘোষণা করেছিলেন।

তবে তদন্তে তাঁর নামে পাওয়া গেছে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ। অন্যদিকে তাঁর বৈধ আয় ছিল মাত্র ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা।

ব্যয় বিয়োগের পর তাঁর নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে দুদকের তদন্তে প্রতীয়মান হয়, বেনজীর আহমেদ জ্ঞাত আয়বহির্ভূতভাবে মোট ১১ কোটি ০৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা এসব অবৈধ অর্থের উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করতে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনি কারবারে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

Frequently Asked Questions

What is স ব ক আইজ প ব নজ?

স ব ক আইজ প ব নজ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does স ব ক আইজ প ব নজ matter?

স ব ক আইজ প ব নজ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment