Uncategorized

সহপাঠীদের ‘আপত্তিকর’ ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন ছাত্রী, হল থেকে বহিষ্কার

সহপ ঠ দ র আপত ত কর - কুষ্টিয়ায় অবস্থিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের এক ছাত্রীকে কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করেছে। ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি

Desk Uncategorized
Published August 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Iu-1
Foto : Jessica Brown - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে বহিষ্কার হলেন ছাত্রী
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে বহিষ্কার হলেন ছাত্রী

Banglaprabah.com – সহপ ঠ দ র আপত ত কর – কুষ্টিয়ায় অবস্থিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের এক ছাত্রীকে কর্তৃপক্ষ বহিষ্কার করেছে। ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি গোপনে সহপাঠীদের আপত্তিকর ছবি তুলে প্রেমিকের কাছে পাঠাতেন। হলের প্রাধ্যক্ষ প্রথম আলোকে জানান, প্রাথমিকভাবে এই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

প্রেমিকের কাছে ছবি পাঠানোর অভিযোগ

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অভিযুক্ত ছাত্রীর যুক্তরাজ্যপ্রবাসী এক যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরেই হলের ভেতরে কক্ষে থাকা অন্য ছাত্রীদের বিভিন্ন সময়ে তোলা আপত্তিকর ছবি প্রেমিকের কাছে পাঠাতেন ওই ছাত্রী। সম্প্রতি যুবকের সাথে ছাত্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্কের অবনতি ঘটলে ছবিগুলোর কিছু অংশ ভুক্তভোগীদের কাছে পাঠান ওই যুবক। এরপর হলে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি হলের প্রাধ্যক্ষ ও প্রক্টরিয়াল বডি জানতে পারেন। হল প্রাধ্যক্ষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এ নিয়ে আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে জরুরি সভা করে হল কর্তৃপক্ষ। সভায় ভুক্তভোগী ৭ জন ছাত্রী লিখিত অভিযোগ দেন। এর মধ্যে কয়েকজন মুঠোফোনে থাকা আপত্তিকর ছবি এক নারী শিক্ষককে দেখান, যেগুলো ওই যুবককে পাঠানো হয়েছিল।

ছাত্রীর বক্তব্য ও তদন্ত কমিটি গঠন

এরপর অভিযুক্ত ছাত্রীকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে হল থেকে বহিষ্কার করে তার বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রী ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকদের কাছে একটি ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি বলেন, তাঁর বান্ধবী ও সহপাঠীরাও ছেলেটিকে চিনতেন। তাঁর সাথে তাঁদের কথাও হয়েছে। ছেলটির সাথে কথা বলার সময় তিনি কোথায় আছেন, কী করছেন বোঝাতে গিয়ে সামনে যে ছিল, তার ছবি তুলে দিয়ে জানিয়েছেন, তাঁর সাথে আছেন। এটা যে অনুচিত ও বেআইনি হবে, তিনি বুঝতে পারেননি।

এ ঘটনায় অধ্যাপক আরিফা আক্তারকে আহ্বায়ক, অধ্যাপক মুহা. কামরুজ্জামানকে সদস্যসচিব এবং সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মোহা. খাইরুল ইসলামকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। হলের প্রাধ্যক্ষ প্রথম আলোকে বলেন, অভিযুক্ত ছাত্রীর দুটি মুঠোফোন জব্দ করে তদন্ত কমিটির আহ্বায়কের কাছে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভুক্তভোগী আরও কেউ আছেন কি না, খতিয়ে দেখতে আগামী রোববার পর্যন্ত অভিযোগ জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনার পর হলের ভেতরে কক্ষে ভিডিও কলে কথা বলার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কেউ কথা বলতে চাইলে বাইরে গিয়ে কথা বলতে বলা হয়েছে। বিষয়টি মাইকে প্রচার করা হয়েছে।

Frequently Asked Questions

What is সহপ ঠ দ র আপত ত কর?

সহপ ঠ দ র আপত ত কর is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does সহপ ঠ দ র আপত ত কর matter?

সহপ ঠ দ র আপত ত কর matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment