Uncategorized

শেখ পরিবারের সবাই নিরাপদে দেশের বাইরে, কারাগারে দলের বহু নেতা

শ খ পর ব র র সব - সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর তাঁর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের একটি ফোন কলের

Desk Uncategorized
Published August 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Linda Anderson - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. শেখ পরিবারের সদস্যরা নিরাপদে বিদেশে, কারাগারে দলের নেতারা
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

শেখ পরিবারের সদস্যরা নিরাপদে বিদেশে, কারাগারে দলের নেতারা

Banglaprabah.com – শ খ পর ব র র সব – সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর তাঁর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের একটি ফোন কলের রেকর্ড। এই কলে অপর প্রান্তে ছিলেন শেখ হাসিনা, আর ফোন করেছিলেন তাপস। কথোপকথনে তাপস শেখ হাসিনাকে সালাম করে জানান, ‘আমি একটু সিঙ্গাপুর যাচ্ছি, যেতে চাইছিলাম। আমি কি যেতে পারি?’ এরপর শেখ হাসিনা উত্তর দেন, ‘হ্যাঁ, যাও। যাব না কেন?’

এই কলটি হয়েছিল ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট সকাল ৮টা ১৬ মিনিটে। কথোপকথন থেকে জানা যায়, সিঙ্গাপুর যাওয়ার জন্য তাপস বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে থামিয়ে দিয়েছিল। সেই সময়ে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করে সহায়তা চেয়েছিলেন।

আন্দোলনের প্রেক্ষাপট

তাপস বিদেশ যাওয়ার ঠিক আগের দিন পর্যন্ত ছাত্র-জনতার আন্দোলনে কয়েক শত মানুষ নিশ্চিত হত্যার শিকার হয়েছিলেন। আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল ঢাকাসহ সারা দেশ। আগের দিন ঢাকায় সরকারবিরোধী ‘দ্রোহযাত্রা’ নামের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী, আইনজীবী, উন্নয়নকর্মী, মানবাধিকারকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে।

২০২৪ সালের ৩ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে। ওই দিন বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম সরকার পতনের এক দফা দাবি ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে কোটা সংস্কার আন্দোলন চূড়ান্তভাবে সরকারবিরোধী গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।

একই দিন সকালে সেনা সদরের এক দরবারে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের ওপর শক্তি প্রয়োগের বিরুদ্ধে মত উঠে আসে। সব মিলিয়ে সরকারের নতুন অবস্থা দেখে অনেকটা নিভৃতে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে তাপস।

পরিবারের সদস্যরা কোথায়?

শেখ হাসিনার পতনের আগে ও পরে তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনের প্রায় সবাই দেশ ছেড়ে পালান। শেখ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের সবাই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। অথচ শেখ হাসিনার টানা সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে এই পরিবারের সদস্যরা ছিলেন ক্ষমতা প্রয়োগের শীর্ষে।

এই পরিবার বা শেখ হাসিনার আত্মীয়স্বজনদের প্রায় দুই ডজন ব্যক্তি মন্ত্রী পদমর্যাদা, সংসদ সদস্য কিংবা গুরুত্বপূর্ণ দলীয় দায়িত্বে থেকে সরকারের সুবিধাভোগী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেবল শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহ ২০২৪ সালের অক্টোবরে ঢাকায় গ্রেপ্তার হন। তবে তিনি রাজনৈতিকভাবে ততটা পরিচিত ছিলেন না। ব্যবসা করতেন। সেভাবে আত্মগোপনও করেননি বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের সূত্রে জানা গেছে।

শেখ হাসিনার পরিবার বা স্বজনদের বাকি সদস্যরা তাঁর সরকারের পতনের আগে ও পরে দেশ ছাড়েন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের অধিকাংশের বর্তমান অবস্থান ভারতে। অনেকেই কলকাতার দামি আবাসিক ভবনে থাকছেন বলে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক মাধ্যমে ছবি, ভিডিও বের হয়েছে।

শেখ হাসিনার সাথে যাওয়া পরিবারের সদস্যরা

শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার সময় তাঁর সঙ্গে যান ছোট বোন শেখ রেহানা। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় শেখ রেহানাকে দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সরকার পতনের দুই দিন আগে তিনি যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় আসেন। তিনি যুক্তরাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা। তবে শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে শেখ রেহানাকে বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরে পাশে দেখা গেছে।

শেখ হাসিনার সাথে ভারতে যাওয়ার পর শেখ রেহানা লন্ডন ও ভারতে থাকছেন বলে আওয়ামী লীগের নেতারা জানিয়েছেন। তবে তিনি প্রকাশ্যে আসেননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার সাথে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকও ছিলেন। তিনি শেখ রেহানার দেবরও।

শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী। সরকার পতনের আগেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে ভারতে গিয়ে মায়ের সাথে দেখা করেছেন বলেও আলোচনা আছে। শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে জয় নিয়মিত দেশে আসতেন এবং সরকারি-বেসরকারি কর্মসূচিতে অংশ নিতেন। তিনি শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টাও ছিলেন।

শেখ হাসিনার মেয়ে সাঈমা ওয়াজেদ (পুতুল) ২০২৩ সালের নভেম্বরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক নির্বাচিত হন। সংস্থাটির আঞ্চলিক কার্যালয় ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লিতে। শেখ হাসিনার সরকার পতনের সময় সাঈমা ওয়াজেদ দিল্লিতেই ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের জুলাইয়ে সাঈমা ওয়াজেদকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে পাঠায় ডব্লিউএইচও। তবে বেতন পান। তিনি কখনো দিল্লি, কখনো দুবাইয়ে থাকেন বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক (ববি) আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) দেখাশোনা করতেন। শেখ হাসিনার শাসনামলে তিনি দেশে ও বিদেশে থাকতেন। সরকার পতনের সময় তিনি থাইল্যান্ডে ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তাঁর স্ত্রী ফিনল্যান্ডের নাগরিক। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হন। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পে কাজ করেছেন।

শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটিশ নাগরিক। তিনিও বর্তমানে বিদেশে আছেন। শেখ পরিবারের সবাই আগেই নিরাপদে ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার সময় তাঁর সঙ্গে যান ছোট বোন শেখ রেহানা।

Frequently Asked Questions

What is শ খ পর ব র র সব?

শ খ পর ব র র সব is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does শ খ পর ব র র সব matter?

শ খ পর ব র র সব matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment