বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ঈদযাত্রার সড়ক দুর্ঘটনা প্রাণহানি প্রেক্ষাপটে সচেতনতা অভিযান চালাচ্ছে
ঈদ ফ রত য ত র ন – ঈদ যাত্রার পরিচালনা করতে সাধারণ সড়� দুর্ঘটনা প্রাণহানি প্রেক্ষাপটে বিআরটিএ সচেতনতা অভিযান চালাচ্ছে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। এ কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হচ্ছে ঈদের ফিরতি যাত্রার সুষ্ঠু চলাচল নিশ্চিত করা।
বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ঈদযাত্রা পরিচালনার সময় তাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ স্থাপন করা হয়েছিল। ফিরতি যাত্রাতেও এই নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।
সারা দেশের সড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং ফিটনেসবিহীন যান চলাচল বন্ধে ৬১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।
ঈদের যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে টার্মিনালে অভিযান চালানো হচ্ছে
ঢাকা মহানগরে দূরপাল্লার বাসের চারটি টার্মিনাল রয়েছে। এগুলো হচ্ছে গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী ও ফুলবাড়িয়া। এসব টার্মিনালে পুলিশ, বিআরটিএ কর্মকর্তা এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের নিয়ে ভিজিল্যান্স দল কাজ করছে।
তাদের মূল দায়িত্ব হচ্ছে বাসে বাড়তি ভাড়া আদায় রোধ করা। সাথে সাথে জেলা শহরের টার্মিনালগুলোতেও অনুরূপ তদারকি দল কাজ করছে। যানবাহনের অতিরিক্ত গতি এবং ওভারটেকিং নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিআরটিএ প্রতিটি কার্যালয় থেকে বিভিন্ন টার্মিনাল এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মাইকিং করা হচ্ছে।
“ঈদের আগ থেকেই আমাদের সচেতনতা অভিযান চলছে। ঈদের পর তা আরও জোরদার করা হয়েছে। মূল লক্ষ্য হচ্ছে চালক ও যাত্রীদের সচেতন করা এবং দুর্ঘটনা এড়ানো।”
আজ রোববার ঈদ–পরবর্তী সড়ক নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সায়েদাবাদ আন্তজেলা টার্মিনালে যাত্রীদের সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশনা অবহিতকরণ এবং চালক, সুপারভাইজার ও হেলপারদের নিরাপদে যানবাহন পরিচালনা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাতে দেখা গেছে। একই কার্যক্রম নরসিংদী, শেরপুর সহ অন্য জেলায় চলছে।
