Uncategorized

শিক্ষার্থীদের অনশনের মুখে কোস্টাল স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

শ ক ষ র থ দ র - বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র সমুদ্রসীমান্ত বিশ্ববিদ্যালয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে এক

Desk Uncategorized
Published September 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
BARISHALUniversity
Foto : Michael Martin - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগীয় প্রধানের পদত্যাগ: শিক্ষার্থী আন্দোলনের পরিসমাপ্তি
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগীয় প্রধানের পদত্যাগ: শিক্ষার্থী আন্দোলনের পরিসমাপ্তি

Banglaprabah.com – শ ক ষ র থ দ র – বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একমাত্র সমুদ্রসীমান্ত বিশ্ববিদ্যালয় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে এক দীর্ঘ আন্দোলনের অবসান ঘটেছে। বিভাগের চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হক তাঁর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর রাত সাড়ে দশটার দিকে অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও অভিযোগ

শিক্ষার্থীদের দাবির পেছনে ছিল বিভাগীয় প্রধানের কার্যপদ্ধতি নিয়ে একাধিক স্তরের অভিযোগ। তাঁদের অভিযোগ অনুযায়ী, হাফিজ আশরাফুল হক কোর্সের নামান্বিত শিক্ষক হিসেবে থাকলেও নিজে ক্লাস নেতেননি। পরীক্ষা পরিচালনার ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা অনুপস্থিত ছিল বলে শিক্ষার্থীরা দাবি করেন — পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতে নম্বর প্রদানের অভিযোগ তাঁদের মূল অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম। এছাড়া বিভাগীয় কার্যক্রমে স্বেচ্ছাচারিতার প্রবণতা দেখা দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার ঘটে।

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল — বিশেষ করে বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগ — সমুদ্রপৃষ্ঠের নিকটবর্তী এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত অঞ্চল। এই প্রেক্ষাপটে কোস্টাল স্টাডিজ ও ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ভূমিকা কেবল একাডেমিক নয়, বরং জাতীয় পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মানবসম্পদ গঠনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর। তাই এই বিভাগে শিক্ষা-গবেষণা কার্যক্রমের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা শিক্ষার্থীদের জন্য কেবল ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং সামাজিক দায়িত্বেরও প্রশ্ন।

আন্দোলনের ধাপে ধাপে বিবর্তন

রোববার সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভে নামেন। তাঁরা বিভাগের চেয়ারম্যানের অফিসকক্ষে তালা লাগিয়ে তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। এই কর্মকাণ্ডের পরপরই সোমবার দুপুর বারোটা থেকে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে শতাধিক শিক্ষার্থী আমরণ অনশন শুরু করেন। অনশনের মূল দাবি ছিল বিভাগীয় প্রধানের পদত্যাগ।

রাত সাড়ে দশটার দিকে হাফিজ আশরাফুল হক প্রথম আলোকে পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি নিশ্চিত করেন:

আমি চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।

এই ঘোষণার পরপরই শিক্ষার্থীরা অনশন থেকে উঠে যান। তবে আন্দোলন প্রত্যাহারের শর্তসমূহ সম্পূর্ণভাবে পূরণ হয়নি বলে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন।

শর্তসমূহ ও পরবর্তী পদক্ষেপ

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, পদত্যাগ ঘটেছে সত্য, কিন্তু হাফিজ আশরাফুল হকের বিরুদ্ধে আরও দুটি শর্ত রয়েছে। প্রথমত, তিনি বিভাগে কোনো ধরনের ক্লাস বা পরীক্ষা পরিচালনা করবেন না। দ্বিতীয়ত, এক মাসের মধ্যে তাঁকে বিভাগ থেকে সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই শর্তগুলো শিক্ষার্থীদের কাছে নিশ্চিত করেছে বলে শিক্ষার্থীদের দাবি।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান এই প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বলেন:

হাফিজ আশরাফুল হক বিভাগের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। একই সঙ্গে আমরা যে দাবি করেছিলাম, তিনি কোনো ক্লাস ও পরীক্ষা নিতে পারবেন না, সেটিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের নিশ্চিত করেছে। তাঁকে অপসারণের জন্য প্রশাসনকে এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এই এক মাসের মধ্যে তাঁকে অপসারণ করা না হলে আমরা আবারও আন্দোলনে নামব।

প্রশাসনের নীরবতা ও প্রশ্নচিহ্ন

ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. মামুন অর রশিদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। এই নীরবতা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন তুলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় উপাচার্যের ভূমিকা কেবল প্রশাসনিক নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার রক্ষারও এক গুরুত্বপূর্ণ স্তর। বিভাগীয় পর্যায়ে শিক্ষা-গবেষণা কার্যক্রম বিঘ্নিত হলে তার প্রভাব কেবল এক বিভাগে সীমাবদ্ধ থাকে না — পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশে তা প্রতিফলিত হয়।

এক মাসের সময়সীমা পূরণ না হলে শিক্ষার্থীরা আবার আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘোষণা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জন্য একটি স্পষ্ট সংকেত — যে প্রশ্নের উত্তর এখনো অপেক্ষমাণ, সেটি সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থী-প্রশাসন সম্পর্কের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা কেবল একাডেমিক স্বার্থ নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মৌলিক নীতি।

Frequently Asked Questions

What is শ ক ষ র থ দ র?

শ ক ষ র থ দ র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does শ ক ষ র থ দ র matter?

শ ক ষ র থ দ র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment