Uncategorized

রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত

র জন ত ক সহ বস থ - জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শান্তি ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক সমঝোতা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান

Desk Uncategorized
Published August 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
JnU-Meeting
Foto : Linda Hernandez - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে কোড অব কন্ডাক্ট
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে কোড অব কন্ডাক্ট

Banglaprabah.com – র জন ত ক সহ বস থ – জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শান্তি ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক সমঝোতা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যে সংঘর্ষ ঘটে, তার পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সভার আয়োজন করা হয়। পারস্পরিক ঐক্য ও রাজনৈতিক সহাবস্থান বজায় রাখার লক্ষ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীনের সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য নিজেই। মত ও পথের ভিন্নতা থাকলেও অন্যের মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে ক্যাম্পাসে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে সবাই ঐকমত্য পোষণ করেন।

১৫ দফা প্রস্তাব ও কোড অব কন্ডাক্ট প্রণয়ন

সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) পক্ষ থেকে সক্রিয় ছাত্রসংগঠনগুলোর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে ১৫ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এসব প্রস্তাবের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সর্বজনীন ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জকসু সভাপতির উপস্থাপিত প্রস্তাবনার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে একটি সমন্বিত ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ তৈরি করা হবে। ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে ছাত্রসংগঠনগুলোর রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে এটি একটি নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে।

উপাচার্যের বক্তব্য ও ক্যাম্পাস সংস্কৃতি

সভা শেষে উপাচার্য অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘মত ও সংগঠন যার যার, জবি পরিবার আমার, সবার’—এই চেতনা ধারণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সংগঠনকে সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। মত ও পথের ভিন্নতা গণতান্ত্রিক পরিবেশের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। তবে সেই ভিন্নতার মধ্যেও অন্যের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান করাই সুন্দর ও সহাবস্থানমূলক ক্যাম্পাস সংস্কৃতির ভিত্তি।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সহাবস্থান মানে হলো মতাদর্শ ও অবস্থান ভিন্ন হতে পারে এবং ভুল বা অসংগতির সমালোচনাও হতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই ব্যক্তিগত আক্রমণ, অশালীন ভাষা কিংবা পারিবারিক পরিচয় তুলে অবমাননাকর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও শালীনতার মাধ্যমেই মতপার্থক্যের চর্চা করা উচিত।

৪ আগস্টের সংঘর্ষের বিস্তারিত

৪ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রবেশকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের সঙ্গে জকসু ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা-কর্মীদের ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি শুরু হয়। এরপর দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন, শহীদ মিনার ও বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এতে জকসু ও ছাত্রশক্তির অন্তত ৫০ জন আহত হয়ে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। অন্যদিকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও তাদের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হওয়ার দাবি করা হয়। বিকেলে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া আহতদের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে ওই হাসপাতাল থেকে পুলিশের পাহারায় অ্যাম্বুলেন্সে করে আহত ব্যক্তিদের অন্য হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়।

সভায় উপস্থিত অন্যান্যরা

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শরমীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি মনজুর মোর্শেদ ভূঁইয়া, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক আজম খান, সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক বিল্লাল হোসাইন, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসেন, ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল মান্নান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সামসুজ্জামান সুরুজ, ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া সভায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) প্রতিনিধি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশক্তি, খেলাফত ছাত্র মজলিস ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতারাও অংশ নেন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

প্রশ্ন: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোড অব কন্ডাক্ট কেন প্রণয়ন করা হলো? উত্তর: ৪ আগস্টের সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসে শান্তি ও রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে এই কোড অব কন্ডাক্ট প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রশ্ন: কোড অব কন্ডাক্ট কারা তৈরি করবেন? উত্তর: জকসু সভাপতির উপস্থাপিত প্রস্তাবনার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত নিয়ে একটি সমন্বিত কোড তৈরি করা হবে।

প্রশ্ন: ৪ আগস্টের সংঘর্ষে কতজন আহত হন? উত্তর: জকসু ও ছাত্রশক্তির অন্তত ৫০ জন আহত হয়ে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

প্রশ্ন: কোড অব কন্ডাক্ট কীভাবে কাজ করবে? উত্তর: ভবিষ্যতে ক্যাম্পাসে ছাত্রসংগঠনগুলোর রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে এটি একটি নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে।

Frequently Asked Questions

What is র জন ত ক সহ বস থ?

র জন ত ক সহ বস থ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does র জন ত ক সহ বস থ matter?

র জন ত ক সহ বস থ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment