মানসিক সুস্থতা ও মনোবিজ্ঞানী কাছে সাহায্য
ম নস ক প রশ ন ত – মানুষের মন সুস্থ থাকলে তার চিন্তার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে দৃঢ়তা অর্জন হয় এবং আত্মবিশ্বাস দৃঢ় হয়। যারা মানসিকভাবে অস্থির হন, তারা সবসময় দ্বিধায় আটকা থাকেন, গোঁথার সামনে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। আধুনিক সময়ে মানুষ নিজের মনে শান্তি পাওয়ার জন্য মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের আশ্রয় গ্রহণ করেন। ঔষধ অস্থিরতা কমাতে সাহায্য করে, কিন্তু সমস্যার মূল কারণ অপসারণ করে না।
বিপদ ও পরিবর্তনযোগ্য বিষয়ের প্রভেদ
বিপদের উৎস যারা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই, তার উপর নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা উচিত। নবী (সা.) বহুবার বিপদ ও বিরোধিতা সামনে করেন, কিন্তু প্রতিটি পরিস্থিতিতে তিনি আল্লাহর দিকে নজর দিয়ে নিজের কাজ পূরণ করেন। কোরআনে এই মানসিক পরিচয়ের ভিত্তি উল্লেখ করা হয়েছে: ‘আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো বিপদ আসে না। আর যে আল্লাহর ওপর ইমান রাখে, আল্লাহ তার অন্তরকে সঠিক পথে পরিচালনা করেন।’ (সুরা তাগাবুন, আয়াত: ১১) এই হাদিস থেকে বাস্তব শিক্ষা হলো, নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিষয়ে চেষ্টা করা আবশ্যক, আর নিয়ন্ত্রণের বাইরে বিষয়গুলো গৃহীত হলে মন সুস্থ থাকে।
শিশুদের মনে শান্তি তৈরি করা নবী (সা.) এর আচরণের মাধ্যমে
শৈশব যার মানুষের ব্যক্তিত্বের ভিত্তি তৈরি করে। নবী (সা.) দেড় হাজার বছর আগে এই সত্য জীবনে অনুসরণ করেছিলেন। যেমন তিনি নাতনি উমামা বিনতে আবিলকে কাঁধে নিয়ে নামাজ পড়াচ্ছিলেন। রুকুতে গেলে তাকে রাখতেন কাঁধে, দাঁড়ালে আবার তুলে নিতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৯৯৬) এই প্রকৃতি তিনি শিশুদের মনে নিরাপত্তা বোধ তৈরি করেন। আধুনিক মনোবিজ্ঞান অনুযায়ী মানুষের শৈশবে নিরাপদ বোধ করা তার প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে মানসিক স্থিতিশীলতা অনেকাংশে নির্ভর করে।
হিংসা থেকে বেঁচে থাকো কেননা হিংসা পুণ্যকে পুড়িয়ে ফেলে
এক বিশেষ সময়ে নবী (সা.) তাঁর দাসকে গালি দিয়ে বসে রাখলে আবু জর (রা.) তাঁর অভ্যাস সম্পর্কে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে সে-ই উত্তম, যে তার স্ত্রীর প্রতি উত্তম আচরণ করে; আর আমি তোমাদের মধ্যে আমার স্ত্রীদের প্রতি সবচেয়ে উত্তম।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৮৯৫) অন্য একটি হাদিস অনুযায়ী হিংসা থেকে বেঁচে থাকো, কেননা হিংসা পুণ্যকে ঠিক সেভাবেই খেয়ে ফেলে, যেভাবে আগুন কাঠ বা ঘাস পুড়িয়ে ফেলে। (সুনানে আবু দ
