Uncategorized

পাবনায় কিশোরীর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার, প্রেমের বিরোধে হত্যা: পুলিশ

পাবনা সদর উপজেলার ঘটনায় তিন আটক করা হয়েছে প্রেমের বিরোধে হত্যা ঘটে, লাশ পদ্মা নদীতে উদ্ধার করা হয় প বন য় ক শ র র - পাবনার কিশোরী প্রাপ্তবয়স্ক বন্দী লাশ

Desk Uncategorized
Published June 4, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পাবনা সদর উপজেলার ঘটনায় তিন আটক করা হয়েছে

প্রেমের বিরোধে হত্যা ঘটে, লাশ পদ্মা নদীতে উদ্ধার করা হয়

প বন য় ক শ র র – পাবনার কিশোরী প্রাপ্তবয়স্ক বন্দী লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর তিন ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত দুই দিনে ঘটনার তদন্ন চলছে, এবং পুলিশ তাদের মধ্যে কী সম্পর্ক ছিল তা নির্ণয়ের জন্য প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। ঘটনার কারণ হিসেবে প্রেমের বিরোধ উঠে আসছে, যার কারণে কিশোরীকে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানানো হয় যে, গতকাল বুধবার সকালে পদ্মা নদীর চরে কাজ করতে যাওয়া কয়েকজন কৃষক একটি বস্তা দেখে সন্দেহ করেন। তাঁরা বস্তাটি খুলে কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেন যার গলায় বাজারের ব্যাগ প্যাঁচানো এবং দুই হাত বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। এই ঘটনার স্থান পাবনা সদর উপজেলার একটি গ্রামে ছিল। আটক করা তিন ব্যক্তির মধ্যে মো. নাঈম (১৮), ইয়াসিন শেখ (১৮) এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক এক কিশোর রয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে লাশ বহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে।

ঘটনার প্রতিবেদন এবং পুলিশের তদন্ন প্রক্রিয়া

গতকাল বুধবার বিকেলে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার তথ্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে ঘটনার বিবরণ স্থায়ী তদন্ন চলছে এবং কিশোরীর পরিচয় নির্ণয়ের জন্য পুলিশ বিশেষজ্ঞদের বিশদ জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। ঘটনার সম্পর্কে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান জানান, কিশোরীর সঙ্গে নাঈমের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নাঈমের বাড়িতে সে যায়। সেখানে তাঁদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ক্ষিপ্ত হয়ে কিশোরীকে হত্যা করে নাঈম বলে জানিয়েছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান আরও জানান, লাশটি পদ্মা নদীতে বস্তায় ভরে ফেলা হয়েছিল। পুলিশ সদর উপজেলার একটি গ্রামে বাসিন্দা ও উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল ওই কিশোরী। ঘটনার পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে। কিশোরী কে হত্যা করার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য বিশ্লেষণের জন্য পুলিশ তদন্ন করছে।

পাবনা সদর উপজেলার ঘটনার পর তিন আটক করা হয়েছে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের মধ্যে কিশোরীর বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক পরিষ্কার হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, ঘটনার স্থান পাবনা সদর উপজেলার একটি গ্রামে ছিল। প্রতিবেদনে একটি কার ব্যবহৃত হয়েছিল এবং প্রাথমিক তদন্ন চলছে। গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে সংযুক্ত হয়ে পুলিশ তদন্ন চালাচ্ছেন।

প্রাইভেট কারটি কিশো

Leave a Comment