মানব উন্নয়ন ভাবনার একজন অগ্রদূত সেলিম জাহান
ম নব উন নয ন ভ বন – প্রয়াত মাহবুব উল হক মানুষের ভবিষ্যৎ তাদের নিজস্ব কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় না কেবল ভাগ্যের কারণে। তিনি এটি মনে করতেন যে মানুষ নিজেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ রচনা করেন। কৈশোরে তিনি উপমহাদেশের বিভাজনের ক্ষোভপূর্ণ অবস্থা ও গণহত্যা দেখেছিলেন যা তার জীবনের বৃহত্তর প্রক্রিয়া গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
আপনার দুর্দান্ত পরিবেশ নিয়ে জীবনে সামাজিক বিদ্বেষ ও ধর্মান্ধতার কারণে তিনি কখনো হতাশ হননি। তিনি মানুষের সম্পদ হিসেবে জাতির প্রকৃত মূল্য বিশ্বাস করতেন যেখানে সামাজিক সুযোগের মাধ্যমে তাদের বিকল্প ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এই ধারণার মূল ভিত্তি ছিল মানুষ স্বীকার করেছিলেন যে জীবন উন্নয়ন হলো সামাজিক ও মানবিক সুবিধার জন্য একটি প্রক্রিয়া।
‘চূড়ান্ত বিচারে মানুষের ভাগ্য নির্ধারিত হয় তার নিজের চয়িত কর্মকাণ্ডে, কেবল ভাগ্যচালিত ঘটনায় নয়’
মাহবুব উল হকের এই উক্তি তার বিশ্বাসের প্রতিফলন করেছিল। তিনি আত্মবিশ্বাস করতেন যে নিরাপত্তা ও শান্তির সাথে মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা সর্বোপরি গুরুত্বপূর্ণ। কেবল আয়ের বৃদ্ধি নয়, জীবনের মান উন্নয়ন হলো সার্থক উন্নয়নের সংকেত।
মানব উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু
তিনি মানব উন্নয়নের ধারণা তৈরি করেছিলেন যেখানে মানুষের বিকল্প ও সুযোগ বিস্তার হবে নিজেদের অধিকতর সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিণতিতে। এটি বলেছিল যে সমান মানের ভিত্তিতে প্রকৃত প্রক্রিয়া এবং সার্থক ফলাফল যুক্ত হয়ে থাকা উচিত। যখন সক্ষমতা ও সুযোগের মধ্যে অসামঞ্জস্য ছিল, তখন হতাশা ও বঞ্চনার সম্ভাবনা তৈরি হত।
তিনি মানব উন্নয়ন সংক্রান্ত আয় বৃদ্ধি প্রক্রিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ বিবেচনা করতেন, কিন্তু এটি সর্বোপরি লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হত না। উন্নয়নের সার্থক মূল্যায়ন হলো সামাজিক ও মানবিক জীবনের সুন্দর উন্নয়নের প্রতিফলন।
তিনি আরও মনে করতেন যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। প্রক্রিয়াগুলো তাদের প্রভাবিত করে তবে তাদের স্বাধীন বিচার ও প্রভাব বিস্তার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। উন্নয়নের প্রকৃত সার্থকতা হলো মানুষের দ্বারা ও জন্য সামগ্রিক প্রক্রিয়া।
বিশ্বে প্রকাশিত প্রথম প্রতিবেদন
১৯৯০ সালে তাঁর নেতৃত
