ভাঙনের আতঙ্কে বাঁধের ওপর জীবন
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সমস্যা বৃদ্ধি পেলো
ভ ঙন র আতঙ ক ব ধ – বাংলাদেশের বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের ইছামারা, গোদাখালী এবং হাওরাখালী গ্রামগুলো ভাঙনের আতঙ্কে বাঁধের ওপর জীবন যাপনের জন্য প্রতিবাদ করছে। বর্তমানে এই এলাকাগুলোতে কয়েক হাজার মানুষ বসবাস করছে যারা নদী শাসনের বাঁধ বরাবর বাস করে। স্থানীয় মানুষের দাবি, শুষ্ক মৌসুমে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের কাজ করলে বন্যার সময় তারা জীবন রক্ষা করতে পারবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি কোনও কাজের সম্ভাবনা থেকে বাঁধে ভাঙন করলে গ্রামগুলো জুড়ে আতঙ্ক ছড়ানো হয়েছে।
ভাঙন ঘটার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেলো বাঁধের স্থায়িত্বের ওপর
পরিচিত শিল্প বাঁধের ক্ষয় ক্ষতির কারণে বর্তমানে ভাঙনের আতঙ্ক সম্পূর্ণ পরিবেশ ও মানুষের সম্পর্কে প্রায় সবাইকে আবেগ করছে। এই এলাকাগুলোতে বন্যা সময়ে বন্যা শাসনের বাঁধ কাজে লাগার কারণে গ্রামের মানুষ নিরাপদ জীবন যাপনের আশা করে। কিন্তু বর্তমান বাঁধের অবস্থা সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের দাবি, ক্ষয় ক্ষতি সম্পর্কে বাঁধে ভাঙনের ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই ঝুঁকি ঘটার কারণ হতে পারে সার্বিক বন্যা শাসন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং অতিরিক্ত জল প্রবাহ থেকে বাঁধে ভাঙন ঘটার পরিস্থিতি।
“আমাদের বাঁধে ভাঙন ঘটলে আমরা আবার সব কিছু হারিয়ে ফেলতে হবে। আমরা সবসময় পরিকল্পনা করেছিলাম যে বন্যার আগে আমাদের খালি করতে হবে। কিন্তু আজ আমাদের জীবনের প্রতি ধ্যান দিচ্ছে না।” – ইছামারা গ্রামের একজন স্থানীয় মানুষ।
প্রতিবেশী এলাকার জনগণ বাঁধে ভাঙন ঘটার পর কী হবে সম্পর্কে আতঙ্কিত হয়েছে। এই গ্রামগুলো অবস্থান করছে জল প্রবাহ কমে গেলে কী করা হবে তা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা ছড়িয়েছে। নদী শাসনের বাঁধ বরাবর বসবাস করার ফলে এখন তাদের কোনও কিছু অবশিষ্ট হয়নি বলে মনে হচ্ছে। তবে বাঁধের স্থায়িত্বের কথা ভাবতে হচ্ছে না কারণ কোনও কাজ করা হচ্ছে না।
ভাঙনের আতঙ্ক তৈরি করার পর স্থানীয় মানুষের আবেগ তুলে ধরা হয়েছে। কামালপুর ইউনিয়নের গ্রামগুলো নদী শাসন বাঁধ বরাবর জীবন যাপন করছে যে ভাঙন ঘটলে সম্পূর্ণ ভাঙন র আতঙ্ক আসতে পারে। এই এলাকাগুলোতে বেশি অংশ আগাছা বিস্তার করছে যেখানে আগাছা হারিয়ে গেলে নদী শাসন করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এখন স্থানীয় মানুষ সরাসরি ভাঙনের আতঙ্ক ভোগ করছে এবং এই পরিস্থিতি কাটবার জন্য উপায় খুঁজছে।
ভাঙন র আতঙ্ক তৈরি করার পর সার্বিক বন্যা শাসনের বাঁধ নিয়ন্ত্রণের কাজ দুর্বল হয়ে পড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনও নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে না যেখানে আগাছা বিস্তার ঘটার পর কাজ করা হয়েছে। কিন্তু গ্রামের মানুষ �
