পাটুয়াটুলী–নবাবপুর থেকে ইউটিউব, বাংলাদেশের গানের বাজারের দুই দশকের রূপান্তর
প ট য় ট ল নব বপ – বাংলাদেশের গানের বাজার কি তবে ‘নাই’ হয়ে যাবে? একসময় সংগীত এলাকায় সেই প্রশ্ন চিরন্তনভাবে শোনা যেত। কিন্তু বিশ্ব সংগীত দিবসে পুনরাবৃত্তি করলে দেখা যায় যে গান হারিয়ে যাওয়ার কথা নয়; বরং একটি বৈশ্বিক পরিবর্তনের চিত্র।
আগে নবাবপুরের ক্যাসেটের রাক থেকে ইউটিউবের প্লেলিস্টে, পাটুয়াটুলীর পোস্টার থেকে ডিজিটাল থাম্বনেইলে—বাংলাদেশের গান এখন স্থানীয় বাজার ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে বিশ্বব্যাপী শ্রোতার কাছে। এই পরিবর্তনের দিক দিয়ে গানের বাজারে কোনো স্থানীয় সীমা আর নেই।
বিনোদন সাংবাদিক হিসেবে দুই দশকের পরিবর্তন
সরেজমিনে পুরোনো অডিও বাজারের ঘুরে আর ডিজিটাল বিশ্বের চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেল যে মাধ্যম বদলেছে, কিন্তু গান থেমে নেয়নি। শনিবার দুপুরে মোটরবাইকে চড়ে নবাবপুর ও পাটুয়াটুলী ঘুরে বেড়ানোর পর দেখা গেল সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃশ্য।
লিখেছেন মাসুম অপু
যে এলাকায় একসময় নতুন অ্যালবামের গান ভেসে আসত দোকান থেকে দোকানে, ঈদ এলেই উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ত, সেখানে এখন গানের কোনো চিহ্নই প্রায় চোখে পড়ে না। নব্বই দশকের শেষ পর্যন্ত থেকে দুই হাজার সালের শুরুর দিকে বিনোদন সাংবাদিক হিসেবে এই অঞ্চলে কতবার যে আসে তার হিসাব নেই। তখন অডিও বাজারের প্রতিযোগিতা এমন ছিল যে নতুন অ্যালবাম প্রকাশের আগে মাসের পর মাস প্রস্তুতি চলত। নতুন ক্যাসেট ও সিডি প্রচারের জন্য দেয়ালে দেয়ালে রঙিন পোস্টার ঝুলত। সাংবাদিকরা নতুন অ্যালবামের খবর সংগ্রহ করতেন।
এখন দেখা যায় যে সেই পরিবেশ বদলে গেছে। নবাবপুর ও পাটুয়াটুলীতে মুঠোফোন, ইলেকট্রনিক পণ্য ও খাবারের দোকান দেখা যায়। যে ভবনগুলোতে একসময় নতুন অ্যালবামের পোস্টার ছিল, সেগুলোতে এখন গানের কোনো চিহ্ন নেই। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে সাথে সাথে বাজারের দৃশ্য বদলে গেছে।
ফিতার ক্যাসেটের জায়গা নেয় সিডি। এরপর আসে এমপিজি। একটি ডিস্কে শত শত গান সংরক্ষণের সুবিধা দেয় বাজারের চিত্র দ্রুত বদলে দেয়। বৈধ অ্যালবাম বিক্রি নেমে আসে কয়েক হাজারে। বেশির ভাগ ভবনে এখন ব্যবসায়িক পরিবর্তন দেখা যায়। ডিজিটাল যুগে শিল্পীরা নিজেরাই ইউটিউব চ্যানেল খুলে গান প্রকাশ করতে শ�
