ফেসবুক পোস্ট ঘিরে শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে
ফ সব ক প স ট ঘ - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে আটকে রাখার ঘটনায় তীব্র বিতর্ক
Table of Contents
ফেসবুক পোস্ট ঘিরে প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আটকের অভিযোগ
Banglaprabah.com – ফ সব ক প স ট ঘ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে আটকে রাখার ঘটনায় তীব্র বিতর্ক চলছে। অভিযোগের মূল কারণ হলো একটি ফেসবুক পোস্ট—যা ওই শিক্ষার্থী সাম্প্রতিক সময়ে শেয়ার করেছিলেন। তাঁর দাবি, সেই পোস্টকে কেন্দ্র করে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুন তাঁকে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখানো, ফোন জব্দ করা এবং একটি লিখিত কাগজে স্বাক্ষর করানোর চেষ্টা চালান।
শিক্ষার্থীর বর্ণনা: পাঁচ ঘণ্টার অভিজ্ঞতা
অভিযোগকারী মো. ইব্রাহীম রোবোটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও হলের আবাসিক। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রোববার দুপুরে প্রাধ্যক্ষ তাঁকে নিজ কক্ষে ডেকে পাঠান। কথোপকথনের এক পর্যায়ে পকেট থেকে ফোন বের করার নির্দেশ আসে; ইব্রাহীম তাতে সম্মত না হলে স্টাফ সদস্যরা জোর করে ডিভাইসটি কেড়ে নেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
কক্ষ ত্যাগের চেষ্টায় বাধা ও দরজায় তালা লাগানোর অভিযোগও তাঁর তালিকায় আছে। ইব্রাহীমের শব্দে—”প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে হল থেকে আসন বাতিল, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্রত্ব বাতিল এবং সাইবার আইনে মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে।”
“এরপর স্টাফদের তৈরি একটি লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করা হয়। ওই কাগজে বলা হয়েছিল, হল সংসদের ভিপি, জিএস ও এজিএস-এর প্ররোচনায় ফেসবুক পোস্টটি দেওয়া হয়েছিল।”
পরবর্তীতে ইব্রাহীমের মাকে ফোন করা হয়। কান্নায় ভেঙে পড়ার পর প্রাধ্যক্ষ কিছুটা শান্ত হয়ে যান; পানি ও ফল দেওয়া হয় এবং ঘটনাটি কাউকে না জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। ইব্রাহীম আরও দাবি করেন, প্রাধ্যক্ষ তাঁকে জানিয়েছেন যে মূল পোস্টকারীর সন্ধান পাওয়া যায়নি বলেই তাঁকে ডেকে আনা হয়েছে এবং ওই ব্যক্তিকে খুঁজে ‘শাস্তি’ দেওয়ার কথাও বলা হয়।
প্রাধ্যক্ষের জবাব: প্রতিটি অভিযোগ অস্বীকার
অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুন নিজ বিরুদ্ধে উঠা সব দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, শিক্ষার্থী তাঁর সম্পর্কে ফেসবুকে ‘সঠিক নয়’ এমন লেখা দিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে হল সংসদের সঙ্গে আলোচনার পরই তাঁকে ডেকে জানতে চাওয়া হয়।
প্রাধ্যক্ষের দাবি, কথোপকথন রেকর্ড করার সন্দেহে ফোন বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং রেকর্ড করা অডিওটি পরে শিক্ষার্থী নিজেই মুছে দেন। লিখিত বক্তব্যে হল সংসদের ভিপি, জিএস ও এজিএস-এর প্ররোচনার কথা উল্লেখ আছে বলে তিনি জানান। মাকে ফোন করার পর তাঁর অসুস্থতা জানতে পেরে আর জড়ানো হয়নি এবং বিষয়টি ‘মিটমাট হয়ে গেছে’ বলা হয়েছে। দরজা আটকানোর অভিযোগও অস্বীকার করে প্রাধ্যক্ষ বলেন, ঘটনাটি দিনের বেলা তাঁর কার্যালয়ে ঘটেছে এবং সেখানে হলের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
হলে আন্দোলন: পদত্যাগ দাবিতে অবরোধ
ঘটনার পর রাত ৯টার অতিক্রম করে হল কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের নির্বাচিত নেতা-কর্মী, ডাকসুর নেতৃত্ব ও জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।
হল সংসদ ও ডাকসুর পক্ষ থেকে গঠিত প্রতিনিধিদল প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দাবি করে। তবে সাক্ষাৎ শেষে দলের সদস্যরা জানান, প্রাধ্যক্ষ ফুটেজ হাতে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এরপর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রাধ্যক্ষকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অবরুদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন। রাত ১২টার পরও
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ফ সব ক প স ট ঘ?
ফ সব ক প স ট ঘ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ফ সব ক প স ট ঘ matter?
ফ সব ক প স ট ঘ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
