Uncategorized

‘প্রতিটি চ্যালেঞ্জ আমাকে আরও শক্ত করেছে’

প্রতিটি চ্যালেঞ্জ আমাকে আরও শক্ত করেছে প রত ট চ য ল ঞ - বলিউডের একজন পরিচিত অভিনেত্রী দিশা পাটানি বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে সম্প্রতি এই অবস্থানে পৌঁছেছেন।

Desk Uncategorized
Published July 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

প্রতিটি চ্যালেঞ্জ আমাকে আরও শক্ত করেছে

প রত ট চ য ল ঞ – বলিউডের একজন পরিচিত অভিনেত্রী দিশা পাটানি বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে সম্প্রতি এই অবস্থানে পৌঁছেছেন। গ্ল্যামারাস ছবি ছাড়াও তিনি নিজেকে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে দেখতে চান। গত কয়েক মাসে মুক্তি পেয়েছে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম ছবি। তার মাধ্যমে তিনি পূর্ণাঙ্গ কমেডি সিনেমার পরিচয় পেয়েছেন।

মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত এক সাক্ষাতকারে তিনি স্বাভাবিকভাবে কথা বলেছেন প্রথম আলোর প্রতিনিধি দেবারতি ভট্টাচার্যকে। ছবিটির আলোচনার সময় তাঁর মুখে চওড়া হাসি ফুটে উঠেছে। দিশা জানান, “আমার প্রিয় ঘরানাগুলোর একটি ছিল কমেডি। ওয়েলকাম ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম ছবি সম্পর্কে আমি যথেষ্ট অনুরাগী। তাই নতুন প্রস্তাব পেয়ার মুহূর্তও ভাবিনি। এত বড় তারকাবহুল দলের অংশ হওয়া সম্ভব নয়।”

এই ছবিটি সাক্ষরতা ছাড়া কেবল নতুন ঘরানার অভিজ্ঞতা নিয়ে সীমিত নয়। তাঁকে অভিজ্ঞ শিল্পীদের কাছ থেকে অনেক শিক্ষা হয়েছে। তিনি বলেন, “সম্পূর্ণ শুটিংয়ে উৎসবের আবহ ছিল। অক্ষয় কুমার প্রায়ই মজার ভিডিও তৈরি করতেন। সেটিং গুলির মধ্যে সবাই খেলাধুলা করতেন এবং কথা বলতেন। হাসতে হাসতে বলেন, “আহমেদ স্যার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। আমরা বাকিরা খেলাধুলা করতাম এবং আড্ডায় মেতে থাকতাম। আহমেদ স্যার ছাড়া আর কেউ খুব বেশি পরিশ্রম করেনি।”

“অক্ষয় স্যার সব সময় নির্ধারিত সময়ে সেটে আসতেন। সময়মতো কাজ শেষ করতেন। দড়ি ধরে ঝুলতে, দড়ি বেয়ে উঠতে, হেলিকপ্টার থেকে ঝুলে স্টান্ট করার মতো কাজে আমি অনেক কিছু শিখেছি।”

অভিনয়ের সবচেয়ে কঠিন কাজ বলতে তিনি হাসানো উল্লেখ করেন। “মানুষকে হাসানো যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে ততটা নয়। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অভিনয়কে এমনভাবে প্রদর্শন করা, যাতে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হয়।” তিনি জানান, “ইউনিটের সবাই সহযোগিতাপরায়ণ ছিলেন যে পুরো কাজটাই উপভোগ্য হয়েছিল।”

দিশা প্রতিযোগিতার দৌড় বা সেই ধরনের কাজে আগ্রহ প্রকাশ করেন না। তাঁর মতে, “অন্যকে টেক্কা দেওয়া নয়, বরং নিজের কাজটাই সবচেয়ে ভালোভাবে করতে চাই। দর্শক যদি সেই কাজের সঙ্গে সংযোগ খুঁজে পান, সেটাই সবচেয়ে বড় সাফল্য।” তিনি পর্দায় সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ও গ্ল্যামারাস মনে হয়। বাস্তবে তিনি শান্ত ও অন্তর্মুখী চরিত্রে অনেক বেশি মিল খুঁজে পান।

নিজেকে আরও নতুনভাবে আবিষ্কার করতে চান দিশা। মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার, অ্যাকশন ড্রামা বা গভীর আবেগ প্রকাশের চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা জানান তিনি। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিয়মিত ব্যায়াম, কার্ডিও ও ওয়েট ট্রেনিং চালিয়ে যাচ্ছেন।

তেলেগু ছবি দিয়ে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছে। তাঁক

Leave a Comment