ডিএসসিসিতে কয়েক শ কোটি টাকার প্রকল্প, সাত বছর পেরোলেও কাজ শেষ হয়নি
ড এসস স ত কয় ক শ – রাজধানী ঢাকার বাসাবো বালুর মাঠে এখন উন্নয়নের দৃশ্য চোখে পড়ে। এই এলাকার বাসিন্দারা স্থানীয় প্রস্তুতি ও গৃহ নির্মাণ কাজে সময় ব্যয় করছেন। কিন্তু প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যের সাথে তাদের প্রয়োজন মেলেনি।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য এবং ব্যয় পরিসংখ্যান
২০১৯ সালের মার্চে নেওয়া হয়েছিল ঢাকা সিটি নেইবারহুড আপগ্রেডিং প্রজেক্ট। এটি বিশ্বব্যাংকের ঋণসহায়তায় পরিচালিত হয়েছিল। মূল ব্যয় প্রায় ৮৮০ কোটি টাকা ছিল, যা পরবর্তীতে সংশোধিত হয়ে গেছে ৫০৪ কোটি টাকায়।
প্রকল্পের আওতায় কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ, সূত্রাপুর এবং খিলগাঁও এলাকায় ২০টি পার্ক, ৩টি খেলার মাঠ, বুড়িগঙ্গা নদীর সাড়ে ৪ কিলোমিটার তীর ও ৩৯ কিলোমিটার নর্দমা উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। তাছাড়া লোহারপুল পুনর্নির্মাণ ও শাহজাহানপুর ঝিল দৃষ্টিনন্দন করার পরিকল্পনা ছিল।
সূত্রের কথা অনুযায়ী, প্রকল্পের প্রাথমিক মেয়াদ ছিল ২০২৪ সালের জুন। তারপর মোট তিন দফা সময় বৃদ্ধি করা হয়। সবশেষ বর্ধিত মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বর। গত জুন পর্যন্ত মোট খরচ হয়েছে প্রায় ৩৫৩ কোটি টাকা। তার মধ্যে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট জনবল ও অন্যান্য সহায়ক খাতে ৬৮ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
সময় বৃদ্ধির কারণ
প্রকল্পের সাবেক পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারির কারণে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু হতে দেরি হয়েছিল। তিনি যখন দায়িত্ব ছাড়েন, তখন প্রকল্পের কাজ সন্তোষজনক অবস্থায় ছিল। বাকি কাজ দুই বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কেন হয়নি, তা তিনি জানেন না।
বিশ্বব্যাংকের দ্বারা নতুন করে সময় বৃদ্ধি করতে আর আগ্রহ নেই। বর্তমানে বাসাবো বালুর মাঠ, লালকুঠি হেরিটেজ ভবন, ঢাকা মহানগর নাট্যমঞ্চ ও আটটি কমিউনিটি সেন্টারের উন্নয়ন চলমান। কিছু সড়ক ও নর্দমা কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
অদক্ষতা ও প্রকল্পের প্রস্তুতি
ডিএসসিসি সূত্র বলছেন, প্রকল্পের শুরুতে দুর্বল প্রস্তুতি নিয়ে কাজ হয়েছিল। পূর্ণাঙ্গ কারিগরি সমীক্ষা বা বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়াই প্রস্তাব করা হয়েছিল। ফলে অনুমোদনের পর নকশা ও বাস্তবতার মধ্যে বড় ফারাক দেখা যায়।
অনেক কর্মকর্তার কাছে জমি নিয়ে জটিলতা ও ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন সাপেক্ষে পরিকল্পনার মিল নেই। কোথাও কাজের ধরন বদলাতে হয়েছে। এসব ভুল ঠিক করতে নতুন নকশা চূড়ান্ত করতেই দীর্ঘ সময় চলে যায়। সার্বিকভাবে অদক্ষতার ফলে একাধিকবার সময় বাড়িয়েও প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তব
