পাহাড় রক্ষায় প্রশাসনকে সক্রিয় হতে হবে
প হ ড় রক ষ য় প - কক্সবাজার জেলায় অন্তত দশটি ছোট-বড় সরকারি পাহাড়ের ওপর চলাচল চলছে। বর্ষার সুযোগ নিয়ে প্রভাবশালী কিছু চক্র রোহিঙ্গা শ্রমিকদের মাধ্যমে পাহাড়
Table of Contents
কক্সবাজারের পাহাড় কেটে সমতল করার প্রবণতা: প্রশাসনকে এখনই সতর্ক হতে হবে
পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের ধ্বংস
Banglaprabah.com – প হ ড় রক ষ য় প – কক্সবাজার জেলায় অন্তত দশটি ছোট-বড় সরকারি পাহাড়ের ওপর চলাচল চলছে। বর্ষার সুযোগ নিয়ে প্রভাবশালী কিছু চক্র রোহিঙ্গা শ্রমিকদের মাধ্যমে পাহাড় কেটে সমতল করছে। সেই মাটি একদিকে বিক্রি হচ্ছে, অন্যদিকে সমতল করা জমিতে বসতি ও হোটেল-রিসোর্ট গড়ার পরিকল্পনাও আলোচনায় এসেছে। বাদশাঘোনা এলাকায় গত কয়েক বছরে পাহাড় কেটে চার শতাধিক বসতি স্থাপন করা হয়েছে।
এই ধরনের পাহাড়নিধনের ফলে গাছপালা ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হয়ে বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হচ্ছে। পাহাড়ের মাটি শহরের নালা-ড্রেনে ঢালো দেওয়ায় সড়ক ও উপসড়কে তীব্র জলাবদ্ধতার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। প্রাণ ও প্রকৃতির ক্ষতি করে যে উন্নয়নমূলক প্রভাব কতটা প্রাণঘাতী হতে পারে, পাহাড়নিধন একবার আবার তা প্রমাণ করছে।
মানুষের প্রাণের মূল্য
গত মাসে কক্সবাজারে ভূমিধসে ২৯ জনের প্রাণহানির শোক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি স্থানীয় মানুষ। গত ১৩ বছরে এই জেলায় ভূমিধসে প্রায় ৩৭০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা কয়েক বছর ধরে সতর্ক করে আসছেন যে ভূমি ও পাহাড়ধসের মূল কারণ নির্বিচার পাহাড়নিধন। তাই পাহাড় কাটার খবর প্রকাশিত হওয়ায় শঙ্কা আরও বাড়ছে।
প্রশাসনিক দুর্বলতা ও আইনের ব্যর্থতা
পাহাড়নিধনে প্রভাবশালী চক্রের সক্রিয়তার বিপরীতে রাষ্ট্রের প্রশাসনিক তৎপরতার দুর্বলতা চোখে পড়ার মতো। বলা হচ্ছে, পাহাড় কাটা হয় প্রায় রাতেই, তাই অভিযান চালানো সম্ভব হয় না। বিভিন্ন সময়ে পাহাড় কাটার কারণে মামলা হলেও সেই মামলাগুলোর অগ্রগতি সামান্যই। জেলখানা থেকে বেরিয়ে আসা ব্যক্তিরা আবার একই কাজে জড়ান। আইন প্রণয়নকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়েছে, আর প্রশাসনের ঢিলেঢালা মনোভাব পাহাড়খেকোদের দুঃসাহস বাড়িয়ে দিচ্ছে।
সম্ভাব্য পথ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের শক্ত অবস্থানে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। পাহাড় রক্ষার সঙ্গে পরিবেশ রক্ষা ও নাগরিকের জীবনের সুরক্ষার প্রশ্ন সরাসরি জড়িত। আইনের হাত যেন কেবল গরিব শ্রমিক পর্যন্তই না পৌঁছায়, বরং পুরো সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সক্ষম হয়—এই প্রত্যাশা আমাদের। নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী অর্থদাতা, প্লট ব্যবসায়ী ও তাদের মদদদাতাদের খুঁজে বের করে আইনি শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। পাশাপাশি ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে জোর করে উচ্ছেদ না করে, সমতলে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিতে হবে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is প হ ড় রক ষ য় প?
প হ ড় রক ষ য় প is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does প হ ড় রক ষ য় প matter?
প হ ড় রক ষ য় প matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
