Uncategorized

পকেট খরচ বাঁচিয়ে ৩০০ অসহায় মানুষকে খাওয়ালেন তরুণেরা

পকেট খরচ বাঁচিয়ে ৩০০ অসহায় মানুষকে খাওয়ালেন তরুণেরা পক ট খরচ ব চ য় ৩০০ - পকেট খরচ বাঁচিয়ে করা হয়েছে এই সামাজিক প্রকল্পটি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার

Desk Uncategorized
Published May 30, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পকেট খরচ বাঁচিয়ে ৩০০ অসহায় মানুষকে খাওয়ালেন তরুণেরা

পক ট খরচ ব চ য় ৩০০ – পকেট খরচ বাঁচিয়ে করা হয়েছে এই সামাজিক প্রকল্পটি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার গাজীপুর আশ্রয়কেন্দ্রে শনিবার দুপুর প্রায় ১১টার দিকে পরিচালিত হয়। প্রায় ৩০০ জন দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে সারাদিন খাবার পরিবেশন করা হয়েছে, যার জন্য স্বেচ্ছাসেবী তরুণরা নিজেদের ব্যক্তিগত খরচ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছেন। এ ধরনের প্রচেষ্টা স্বল্প ব্যয়ে বৃহৎ সামাজিক প্রভাব ফেলেছে যা তাদের আর্থিক অবস্থা সুনির্দিষ্ট করে দেয়।

অর্থ সংগ্রহ ও খাবার প্রস্তুতি

এ কার্যক্রমটি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফ্রেন্ডস জোন সোসাইটির উদ্যোগে পরিচালিত হয়েছে। তারা ব্যক্তিগত খরচ বাঁচিয়ে একটি সার্বিক খাবার ব্যবস্থা করেছেন, যার জন্য মোট ৬০ কেজি গরুর মাংস ও পোলাও ও খিচুরি তৈরির জন্য চাল, ডাল এবং অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী কিনেছেন। খাবার প্রস্তুত করা হয়েছে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রণীত করে, যেখানে সংগঠনের সদস্যদের অর্থ সংগ্রহ ও খাবার বিতরণের কাজ কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে।

বিশেষ প্রকল্পের সাফল্য ও সমালোচনা

অনেক স্বেচ্ছাসেবক এই বিশেষ প্রকল্পে নিয়োগ পেয়েছেন যারা গ্রাহকদের কাছে খাবার বিতরণ করেছেন। সংগঠনের সভাপতি মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, সংগঠনের বেশিরভাগ সদস্য শিক্ষার্থী। তারা নিজেদের পকেট খরচ থেকে প্রতিদিন ছোট পরিমাণে অর্থ সংগ্রহ করে এ কর্মসূচি চালু করেছেন। তিনি আরো বলেন যে এ ধরনের প্রকল্প মানবিক দায়িত্ববোধে গঠিত হয়েছে এবং এ সম্পর্কে একটি আশা প্রকাশ করেছেন যে এটি ভবিষ্যে বৃহত্তর সামাজিক প্রতিক্রিয়া ফেলবে।

আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দা রহিমা বেগম (৬০) বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে ভালা মানা খাই না। আমি অভাবের কারণে ভাত-ডাল কিছু পাই না। এই খাবার খাওয়া হয়েছে সেই জন্য দোয়া করি।’

তিনি আরো মন্তব্য করেন যে এই প্রকল্প তাদের জীবনে একটি সুবিধা সৃষ্টি করেছে এবং সামাজিক সম্প্রসারণের দিকে এগিয়েছে।

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। স্বেচ্ছাসেবীদের মানবিকতা এবং আমন্ত্রণের মাধ্যমে সামাজিক দায়িত্ব প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি আরো দাবি করেন যে এই প্রকল্প স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে পুনরাবৃত্তি হবে এবং আরও বেশি মানুষকে সহায়তা করার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই সামাজিক প্রকল্প সম্পর্কে সংগঠন কর্মকর্তারা আরো দাবি করেছেন যে এটি সামাজিক দায়িত্বের প্রকাশ এবং অন্যদের সাথে সমন্বয় ঘটানো একটি অনুপ্রেরক প

Leave a Comment