Uncategorized

নৃত্য-গীতে শ্রাবণসন্ধ্যার মনোরম আয়োজন

WhatsApp-Image-2026-08-08-at-9.15.22-PM

শ্রাবণসন্ধ্যায় নৃত্য-গীতে মনোরম আয়োজন

Banglaprabah.com – ন ত য গ ত শ র – বাংলার প্রকৃতিতে বর্ষা ঋতুটি অতীত থেকেই প্রাণসঞ্চারী হিসেবে কাজ করে আসছে। গ্রীষ্মের তপ্ত ও শুষ্ক পরিবেশে অবিরল বৃষ্টিপাত মাটিকে কেবল আর্দ্র ও কোমলই করে না, বরং প্রকৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। কবিদের চিত্তেও বর্ষা ব্যাকুলতা সৃষ্টি করে। বৃষ্টিধারা বৃক্ষ, লতা ও গুল্মকে নতুন পত্রপল্লবে সবুজ ও সজীব করে তোলে, ঠিক তেমনি কবিরাও সৃজনপ্রেরণায় নতুন কাব্য, সংগীত ও নাটকসহ বিপুল রচনার বন্দনায় নিবেদিত হয়েছেন। বিশেষ করে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কাব্য ও সংগীতে বর্ষাকে নতুন করে আবিষ্কার করেছিলেন।

শনিবারের আয়োজন

শ্রাবণ বিদায় নিল প্রাণ। তবু মেঘ ঘনিয়ে আসছে প্রায় প্রতিদিন আকাশজুড়ে। বর্ষণও হচ্ছে প্রায়ই রাজধানীর কোথাও না কোথাও। এমনতর শ্রাবণসন্ধ্যা গান আর নৃত্যে মনোরম করে তুলেছিলেন শিল্পীরা। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে ছায়াছন্ট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে গান, নৃত্য আর আবৃত্তিতে ‘বর্ষামুখর শ্রাবণসন্ধ্যা’ নামের গীতিনৃত্য–আলেখ্য আয়োজন করেছিল প্রবীণ রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ও শিক্ষক সাদি মহম্মদের হাতে গড়া গানের দল ‘ভোরের আলো’। তাদের সঙ্গে সহযোগী ছিল সংগীত সংগঠন গানে গানে আড্ডা (ছোটদের দল), উত্তরাণ ও নৃত্যসংগঠন নৃত্যাঞ্চল।

মূলত তাঁর সেই কালজয়ী সৃজনসম্ভার দিয়েই সাজানো হয়েছিল শ্রাবণসন্ধ্যার এই আয়োজন। অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল সমবেত কণ্ঠে ‘আহ্বান আসিল মহোৎসব/ অম্বরে গম্ভীর ভেরিরবে’ গানটির পরিবেশনা দিয়ে। এরপর ছিল সমবেত সংগীত ও নৃত্য, ‘আজ তালের বনের করতালি’ গানে গানে। ফারজানা অপরাজিতা একক কণ্ঠে পরিবেশন করেন ‘চক্ষে আমার তৃষ্ণা’। এরপর আবার ‘গহন ঘন ছাইল/ হৃদয়ে মন্দ্রিল ডমরু’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্যে।

কোনো বিরতি ছাড়াই অনুষ্ঠান এগিয়েছে একক ও সমবেত গান, নৃত্য ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে। একক কণ্ঠের পরিবেশনার মধ্যে আরও ছিল, ‘গগনে গগনে আপন মনে’, ‘চিত্ত আমার হারাল’, ‘শাওন গগনে’, ‘আজি শ্রাবণ ঘন গহন মোহে’। একক গানের শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন অনুপম কুমার পাল, জেসমিন রোজ, মৌমিতা পাল, সৌরভ শিকদার প্রমুখ। পাঠ ও আবৃত্তিতে অংশ নিয়েছিলেন অনন্যা সাহা ও হাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে সমবেত কণ্ঠের ‘আষাঢ় কোথা হতে আজ পেলি ছাড়া’ গানের সঙ্গে ছিল নৃত্যপরিবেশনা। এ ছাড়া সমবেত গানের মধ্যে আরও ছিল, ‘এসো এসো ওগো শ্যামছায়া ঘন দিন’, ‘তিমির অবগুন্ঠনে’, ‘মন মোর মেঘের সঙ্গী’ ‘আজি বর্ষারাতের শেষ’সহ বেশ কয়েকটি। অনুষ্ঠান শেষ হয়েছিল ‘মরু বিজয়ের কেতন উড়াও শূন্যে হে প্রবল প্রাণ’ সমবেত কণ্ঠের গানটি দিয়ে। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিকল্পনা ও পরিচালনার ছিলেন শিল্পী লিলি ইসলাম, নৃত্য পরিচালনা করেছেন নৃত্যশিল্পী শিবলী মোহাম্মদ ও স্নাতা শাহরিন।

Frequently Asked Questions

What is ন ত য গ ত শ র?

ন ত য গ ত শ র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ন ত য গ ত শ র matter?

ন ত য গ ত শ র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *