Uncategorized

‘“দেলুপি”–তে ওই সময়ের চিহ্ন আছে’

দ ল প ত ওই সময় র - গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে মোহাম্মদ তাওকীর ইসলামের নির্মিত 'দেলুপি' সিনেমার উন্মুক্ত প্রদর্শনী

Desk Uncategorized
Published July 30, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Mark Gonzalez - banglaprabah.com

দেলুপি সিনেমায় জুলাই অভ্যুত্থানের চিহ্ন ও রাজনৈতিক প্রভাব

Banglaprabah.com – দ ল প ত ওই সময় র – গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে মোহাম্মদ তাওকীর ইসলামের নির্মিত ‘দেলুপি’ সিনেমার উন্মুক্ত প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রদর্শনীতে দ ল প ত ওই সময় নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়। সংলাপে কবি ও প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, লেখক ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবির, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অধ্যাপক বখতিয়ার আহমেদ এবং প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) সহযোগী অধ্যাপক মনিরা শরমিন অংশ নেন।

সমালোচকদের মতামত

সাজ্জাদ শরিফ মনে করেন, সিনেমাটিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের চিহ্ন রয়েছে। তিনি বলেন,

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তার অনেক প্রতিফলন এখানে দেখব। দেলুপিকে আমরা একটি গ্রাম হিসেবে দেখতে পারি, আবার বাংলাদেশ হিসেবেও দেখতে পারি। যেখানে শাসকের পরিবর্তন ঘটেছে, তবে শেষ পর্যন্ত কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।

তিনি আরও যোগ করেন, ওই সময়ে সংখ্যালঘুদের অবস্থা ও সংস্কৃতিচর্চার অবস্থা—সব আমরা সিনেমাতে দেখতে পাব। ফলে ছবিটি ওই সময়ের চিহ্নকে ধারণ করেছে।

নূরুল কবির বলেন,

যে অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গেছে, সেটার মোমেন্টাম ও মিনিং ছবিটা ধরার চেষ্টা করেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দ ল প ত ওই সময় এর প্রতিফলন ছবিতে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।

বখতিয়ার আহমেদ বলেন,

দেলুপি খুবই সহজ, সরল ও অকপট। কেন্দ্রীভূত যে বড়ান থাকে, তার বাইরে গিয়ে মাইক্রোসোশ্যাল সিচুয়েশন তুলে ধরেছে। অনেক সময় প্রান্ত থেকে সত্যের আরেকটা রূপ দেখা যায়। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে মাইক্রোস্কোপিক সূত্রের সন্ধান দিচ্ছে দেলুপি।

এটি বিপ্লব নিয়ে নির্মিত অন্যান্য চলচ্চিত্র থেকে আলাদা।

মনিরা শরমিন বলেন,

যেখানে জুলাই অভ্যুত্থান শেষ, সেই সময়ে সিনেমাটি শুরু হয়েছে। আমরা যদি চব্বিশের জুলাইয়ের ইতিহাস লিখতে থাকি, দেলুপিকে ফেলে দেওয়া যাবে না। জুলাই নিয়ে অনেক কিছু হয়েছে, কিন্তু সিনেমা হয়নি। চলচ্চিত্রের মূল টোন জুলাই।

রাষ্ট্র নির্মাণ করতে গেলে পুরাতনকে ফেলে দেওয়া যাবে না। ওই স্বপ্নটা জেন-জিদের মধ্যে ছিল।

অতিথি ও আয়োজক

সিনেমাটি দেখতে এসেছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তাঁকেও মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি বলেন,

আন্দোলন মানুষকে নতুন মানুষে পরিণত করে। হতো জাকির চেয়ারম্যানদেরও (দেলুপির চরিত্র) বদলে দেয়। সেই ইঙ্গিত হতো সিনেমাতে আছে।

প্রদর্শনীতে সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনী শেষে শিল্পীদের নিয়ে মঞ্চে আসেন মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম। এই নির্মাতা বলেন,

আমাদের একটাই চাওয়া, আরও দর্শকের কাছে ছবিটা পৌঁছাক।

প্রদর্শনী ও সংলাপের আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড সিনে সার্কেল, সিনেফিল সোসাইটি বাংলাদেশ এবং সুন্দরবন ফিল্ম সোসাইটি। আয়োজনটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুর উল্লাহ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের গল্পে নির্মিত দেলুপি মুক্তি পায় গত ৭ নভেম্বর। দ ল প ত ওই সময় এর গুরুত্ব এই সিনেমার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়েছে। সিনেমাটি দর্শকের পাশাপাশি সমালোচকদেরও প্রশংসা পেয়েছে।

Leave a Comment