তুরাগ নদ থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে আরও যা জানা গেল
ত র গ নদ থ ক ল – ২২ জুন আশুলিয়া থানার ট্রলার ঘাটে পুলিশি অভিযানে নিখোঁজ ছিলেন ঢাকার তুরাগ নদের বাসিন্দা মো. সুমন (১৭) এবং আরিফ হাসান রাকিব (২০)। তাঁদের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, দুজন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। পরে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনার পর তাঁদের মরদেহ আশুলিয়া ও আমিনবাজার নৌ পুলিশের হাতে উদ্ধার করা হয়।
তুরাগ নদে আরও একটি লাশ উদ্ধার হয়েছে যে ঘটনার কথা বলেছিলেন এক কিশোরের স্বজন ও দুই প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁদের মতে, পুলিশি ধাওয়ায় কয়েকজন নদীতে লাফ দেয়। এর পর থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। আশুলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে হওয়া একটি মামলার এজাহারে তুরাগ নদের ট্রলার ঘাট বর্ণিত হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সম্পর্কে পুলিশের জানা গেল
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কমানোর ও জনগণের মনে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে আশুলিয়া গরুর হাটের পাশে ট্রলার ঘাটে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতারা স্লোগান দিয়েছিলেন। সে সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের ধারণা বিপর্যয় করে। নতুন করে স্লোগান দেখার পর আন্দোলনকারীরা দ্রুত পালায়। পুলিশের বাধা পেয়ে সাতজন আটক হন।
“২২ জুন বেলা সোয়া ২টার দিকে আশুলিয়া বাজারের বাঁশপট্টিতে বসে থাকা এক ব্যক্তি বলেন, পুলিশ ওই দিক দিয়ে গেছে। ওর যহন ফাল মাইরা মাইরা পরছে। তখন পুলিশ তাড়া করছে। আমরা ওই দোহানে বইসা চা খাচ্ছি। সাড়ে ২টার দিকে আমি দেখছি ৫–৭ জন দৌড় মারছে। ভাবি, ব্যাপার কী, নদীতে মানুষ আসে আবার যায়।”
আশুলিয়া ট্রলার ঘাটে নিখোঁজ ছিলেন মো. সুমন। ঘটনার পর তিনি নিখোঁজ হন। তাঁর খালু মো. জুয়েল বাবু জানান, আশুলিয়া গরুর হাটের পাশে ট্রলার ঘাটে গিয়ে মো. সুমন একটি মিছিলে যোগ দেন। মিছিল শেষে তিনি নদীতে ভ্রমণের জন্য ট্রলার ভাড়া করেন। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে নৌকা থেকে নামতে গিয়ে অসাবধানতাবশত তিনি নদীতে পড়ে। সাঁতার জানত না। নদীতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্রোতে ডুবে যান। তাঁর সঙ্গীদের খোঁজাখুঁজি করে লাশটি পাওয়া যায় না।
২৫ তারিখ রাত সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ আমাদের জানায়, একটি লাশ ভাসছে। লাশ উদ্ধারের পর আমরা সুমনের লাশ নিশ্চিত করি। নৌকার চালক পালাতক। পুলিশের আটক করা সাতজন স্লোগান দিয়ে তৈরি করেছিলেন আওয়ামী লীগ ও তাদের সংগঠনগুলি। রোববার সন্ধ্যার পর লাশটি নদী থেকে উদ
