নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে শিশু মৃত্যু ঘটলো, টাকা অভাবে পরিবার আইসিইউতে নিতে পারেনি
ন য় খ ল ত হ ম – নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন শিশু একজনের মৃত্যু ঘটেছে। নিহত শিশুটি মো. সামির (৭) নামে পরিচিত। তার মৃত্যুর খবর আজ সকালে প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন হাসপাতালের চিকিৎসক মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। তিনি জানান যে সামিরকে আইসিইউতে নিয়ে আসার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু টাকার অভাবে পরিবার তাকে ঢাকায় নিতে পারেনি।
আইসিইউ সুবিধার অভাবে সংকট ছড়িয়েছে
হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ বলেন, নিহত শিশুটি আজ রোববার ভোর পাঁচটার দিকে অবস্থা গুরুতর ছিল। চিকিৎসক তার চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু স্বজনেরা তা করতে পারেনি। বর্তমানে হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশুদের জন্য আইসিইউ সুবিধা না থাকায় সংকট ছড়িয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল চারটার দিকে সামিরকে ভর্তি করা হয়। এখন সে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।
হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশুদের জন্য হাসপাতালটিতে বেড, ওষুধ এবং চিকিৎসক সংকট দেখা দিয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে শিশুদের জন্য সার্ভিস ভবনকে আইসোলেশন ওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সংকটাপন্ন শিশুদের চিকিৎসার জন্য অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ফ্রিজ পরিবারের অভিযোগ
নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে শিশু মৃত্যুর ঘটনার পর অভিভাবকদের অভিযোগ শোনা গেল। তারা জানান যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বেশির ভাগ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়। নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে শিশুদের সংকট ক্রমাগত বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আরও ৪০ শিশু ভর্তি হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আইসিইউ বেড থাকলেও শিশুদের জন্য আইসিইউ সুবিধা নেই। ফলে হামের উপসর্গে সংকটাপন্ন শিশুদের চিকিৎসা প্রাপ্তি সীমিত হয়েছে। নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে শিশুদের জন্য এখন হাসপাতালের সদস্যদের হিমশিম খেতে হয়।
বর্তমানে হাসপাতালে নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে শিশুদের সংখ্যা প্রায় ৯৪ জন। এ সংখ্যা গত দিনে নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে হামের উপসর্গে শিশু মৃত্যুর ঘটনার কারণে কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক সুবিধার অভাব হাসপাতালের চাপের কারণ হয়েছে।
হামের উপসর্গে শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে হাসপাতালটিতে সেবা প্রদানের সুবিধা ক্রমাগত কমে আসছে। শিশু ওয়ার্ডে নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে চিকিৎসার সময় কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। পরিবার অভি�
