পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কৃষিশ্রমিকের মৃত্যু, বিএনপি নেতাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে
প বন য় শ রম ক র – গতকাল শনিবার বিকেলে চরভাঙ্গুড়া গ্রামে ঘটে যাওয়া একটি মারধরের ঘটনার পর কৃষিশ্রমিক জামিল হোসেন (৫০) মৃত্যুর সংবাদ উঠেছে। তিনি রাতে নিহত হন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। নিহত ব্যক্তির বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিনা গ্রামে। তিনি ধান মাড়াইয়ের জন্য ভাঙ্গুড়ায় আসেন এবং পরিবারসহ উপজেলার কৈইডাঙ্গা এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকেন।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতার নাম ইউসুফ আলী (৪৫)। তিনি ভাঙ্গুড়া সদর ইউনিয়নের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক। ঘটনার আগে প্রায় তিন সপ্তাহ আগে জামিল হোসেন ধান মাড়াইয়ের জন্য বাড়ি বাড়ি ঘুরে মাড়াইযন্ত্র ব্যবহার করেন। যখন তাঁকে ধান মাড়াই করতে বলা হয় তখন তিনি অন্য কাজ পরিচালনার কারণে দেরি করেন। তার জন্য ইউসুফ আলী ক্ষিপ্ত হন এবং মারধর করেন। মাড়াইযন্ত্রের চাবি তুলে নিয়ে তাঁকে দিয়ে কাজ শুরু করেন।
কাজ শেষে নিহত ব্যক্তি বাড়ি ফিরে অসুস্থ বোধ করেন। সেই সময় নদীতে গোসল করতে নামেন এবং গোসল শেষে মারা যান। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন থানায় তথ্য দেন। লাশ উদ্ধার করে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। ময়নাতদন্তের জন্য তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
“তাঁর শ্বশুর শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। অসুস্থ বোধ করার সময় মারধরের ঘটনার বর্ণনা দেন তিনি। এরপর গোসল করে এসেই মারা যান। আমার মতে মারধরের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।”
ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাকিউল আজম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ পরিষ্কার হবে। তবে এ ঘটনায় আজ রোববার দুপুর পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
তাঁর ব্যবহার করা মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। যোগাযোগ করা হলে বিএনপির আহ্বায়ক নূর–মুজাহিদ অভিযুক্ত ব্যক্তির দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করেন। কিন্তু তিনি ঘটনার কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।
