বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে সরকারি সংশ্লিষ্ট খাতে
জ ব ল ন ত ল র – বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গত বুধবার নতুন দাম ঘোষণা করে। এতে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ, সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে দাম বেড়েছে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এই পরিবর্তন নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
আবাসিক গ্রাহকদের জন্য গুরুতর পরিবর্তন
লাইফলাইন শ্রেণির গ্রাহকদের মাসে বেশি বিদ্যুত ব্যবহারের কারণে প্রতি ইউনিটের দাম বেড়েছে ৬৯ পয়সা। তাঁদের বিল মাসে প্রায় ৩৪ টাকা ৫০ পয়সা বাড়বে। পিডিবি এই শ্রেণির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু আরইবির পরামর্শে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়।
খুচরা পর্যায়ে সামান্য বৃদ্ধি
পাইকারি দাম বাড়ানোর ফলে পিডিবির আয় বছরে ১৪ হাজার কোটি টাকা বাড়বে। এতে সরকারের ভর্তুকি কিছুটা কমবে, তবে বছরে পরিমাণ বিদ্যুত বিক্রি করার কারণে সরকার আবার ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেবে। খুচরা দাম বাড়ানোয় বছরে আসবে প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা।
দাম বৃদ্ধির বিস্তারিত তথ্য
বিইআরসি আদেশে পাইকারি দাম ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে। ইউনিটপ্রতি মূল্য বেড়েছে ১ টাকা ৩৯ পয়সা। খুচরা দাম গড়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে। ইউনিটপ্রতি বেড়েছে ১ টাকা ৫২ পয়সা।
“দাম বাড়ানোর ফলে মানুষের ব্যয় বাড়বে, তবে অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করা হয়নি। এটা করার সুযোগ আছে।”
— বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ
সমস্ত গ্রাহক পর্যায়ে দাম বৃদ্ধি
আবাসিক, কৃষি, শিল্প, বাণিজ্যিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সব শ্রেণির গ্রাহকের প্রতি ইউনিটে বেড়েছে দাম। মোট গ্রাহকের ৬৫ শতাংশ আবাসিক ও কৃষি ব্যবহারকারী। নতুন দর অনুযায়ী ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে বছরে অতিরিক্ত আসবে ৭৮১ কোটি টাকা।
