যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির পথে কেন বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন নেতানিয়াহু
শান্তিচুক্তি হতে হলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি বাধা হিসেবে তাঁকে গ্রহণ করা হয়েছে
য ক তর ষ ট র ইর – যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি সম্ভব হতে হলে একটি প্রধান বাধা বিরাজ করছে। সেই বাধা হলো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আলোচনায় এখন লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বড় সমস্যা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এটি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর অস্থির মিত্রতা আরও গভীর হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভুল-বোঝাবুঝি ও বিবেচনার ক্ষেত্রে পার্শ্ব নির্বাচন পরিস্থিতি
গত সোমবার ইসরায়েলের পার্লামেন্ট বিল গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নেতানিয়াহুকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি হিজবুল্লাহ ও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান সফল করেছেন। এই সংঘাত বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি আলোচনা বন্ধ রাখবে বলে ঘোষণা করেছে। এই বিষয়ে তাঁকে নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব বজায় রাখতে হবে।
“আপনি এসব কী ছাইপাঁশ করছেন?” ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ক্ষুব্ধ করে বলেছিলেন। এর পর নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে এমন কথা দেন, “আমি না থাকলে আপনি কারাগারে থাকতে চাচ্ছেন।”
ট্রাম্পের বিষয়টি সামলে নিয়েছেন বলে এবিসি নিউজকে নেতানিয়াহুর স্থায়ী শান্তিচুক্তি আলোচনা ক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে তিনি বলেছিলেন, “আজ ছোটখাটো একটি সমস্যা হয়েছিল।”
নেতানিয়াহুর স্থিতিশিলতা ও জনপ্রিয়তার বিশ্লেষণ
১৯৯৬ সালে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচজন প্রেসিডেন্টের সময়কাল দেখেছেন নেতানিয়াহু। তাঁদের প্রত্যেকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের সমস্যা ছিল। ক্লিনটন নাকি বলেছিলেন, “এখানে আসলে পরাশক্তিটা কে?”
গত সোমবার ইসরায়েলের পার্লামেন্ট এক বিল প্রথম চেষ্টায় ১০৬-০ ভোটে পাস করেছে। এটি শরতে আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ইরানি নেতৃত্বের ওপর হামলার ফলে তাঁর সমর্থন বৃদ্ধি পেলেও গাজা, লেবানন ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় তাঁর জনপ্রিয়তা এখন হ্রাস পেয়েছে।
আগামী শরতে দেশে নির্বাচন হতে চলছে। এই অবস্থায় নেতানিয়াহুকে কোনো সুবিধাজনক গল্প বলার প্রয়োজন। তাঁকে বলতে হবে, “আমি এখনো চূড়ান্ত বিজয়ের লক্ষ্যে লড়ছি।” সব শেষ হয়ে গেছে এবং ইসরায়েলের ওপর হুমকি সরাতে ব্যর্থ হয়েছি”—এই শব্দগুলি সম্ভবত তাঁর জন্য অনেক সুবিধাজনক।
প্রতারণা ও ঘুষের অভিযোগে বিচারপ্রক্রিয়া
প্রতারণা ও ঘুষের অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ঝুলে
