চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন গৃহকর বৃদ্ধি করেছে দুই সংস্থার বিরোধ প্রকাশ্যে
এক ল ফ গ হকর ব ড়ল – এক লাফে গৃহকর বাড়ল ২২০ কোটি টাকা – চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বার্ষিক গৃহকর আদায়ের পরিমাণ দুই সংস্থার মধ্যে তীব্র বিরোধের সূত্র ধরে তুলে ধরেছে। এ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন আদায় হারে প্রতিবছর প্রাপ্ত অর্থ কোটি টাকা হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই পরিবর্তন বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া আনে এবং এখন দুই সংস্থার মধ্যে সংঘর্ষ চালু হয়েছে।
বিষয়টি কী ছিল?
পূর্বে বন্দর কর্তৃপক্ষ গৃহকর দিয়ে প্রতিবছর কোটি টাকা আদায় করতে হত। সিটি করপোরেশন তার পরিশোধের পরিমাণ দুই সংস্থার মধ্যে বিতর্কের সূত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন বন্দরের আপত্তি সম্পর্কে একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে এবং সংস্থাগুলো এ বিষয়ে আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত হয়েছে।
মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম নগরের সড়ক ধারণক্ষমতা প্রতি কিলোমিটারে এক টনের বেশি। কিন্তু বন্দরের গাড়ি সে সীমাকে পেরে গেছে। ফলে রাস্তা ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গৃহকর বৃদ্ধির প্রসঙ্গে সংস্থাগুলো মধ্যে তীব্র বিরোধ দেখা দিয়েছে।”
আপিল ও নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া
সিটি করপোরেশন দাবি করেছে চট্টগ্রাম নগরের স্থাপনার আয়তন অনুযায়ী গৃহকর আদায়ের পরিমাণ কোটি টাকা। বন্দর কর্তৃপক্ষ তা নিয়ে আপত্তি জানায়। এ বিষয়ে গত এপ্রিল মাসে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। এর পর কমিটি গঠন ও আপিল শুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পূর্বের সংস্থাগুলোর মধ্যে বিতর্ক চলছিল। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বলেছে সিটি করপোরেশন আইনের মধ্যে কোটি টাকা আদায় করছে। সে বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ আপিল দায়ে তার বক্তব্য দেয়। এ বিষয়ে বিচার চলছে এখন।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সিটি করপোরেশনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে বলেছে গৃহকর বৃদ্ধি করা আইনের আওতায়। সে বিষয়ে কোন নতুন পরিবর্তন ঘটানো হয়নি। পরিশোধ হার অপরিবর্তিত থাকায় দুই সংস্থার বিরোধ আরও চালু হয়েছে।
গৃহকর বৃদ্ধির কারণে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও বন্দর কর্তৃপক্ষ মধ্যে পরিপ্রেক্ষিতে আবার বিতর্ক দেখা দিয়েছে। গত বছরে সংস্থাগুলো নিয়ে বিচার সম্পন্ন হয়েছিল। এ বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষ তার দাবি জানায়। আপিল শুনানির পর সিটি করপোরেশন সিদ্ধান্ত প্রাপ্ত করছে।
