Uncategorized

নদীভাঙনে হারিয়েছেন ভিটেমাটি, মিষ্টির দোকান ঘিরে স্বপ্ন বুনছেন হিরা

নদীভাঙনে হারিয়েছেন ভিটেমাটি, মিষ্টির দোকান ঘিরে স্বপ্ন বুনছেন হিরা নদ ভ ঙন হ র য় ছ - বাংলাদেশের খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নে অবস্থিত

Desk Uncategorized
Published June 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নদীভাঙনে হারিয়েছেন ভিটেমাটি, মিষ্টির দোকান ঘিরে স্বপ্ন বুনছেন হিরা

নদ ভ ঙন হ র য় ছ – বাংলাদেশের খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নে অবস্থিত কাশির হাটখোলায় একটি ছোট মিষ্টি দোকানে কাচের বাক্স দিয়ে সাজানো রসগোল্লা, চমচম, কালোজাম ও গজা রয়েছে। দোকানের সামনে আরও একটি বাক্স থেকে পেঁয়াজু ও শিঙাড়া বিক্রি হচ্ছে। এখন এখানে তিনটি শিশু খেলছে এবং এক মহিলা মিষ্টি পাত্রগুলো সাজাচ্ছে। দোকানের মালিক হিরা মণ্ডল (৩০) বলেন, “ব্যবসা চলতেছে কোনো রকমে। অনেক কষ্ট করে আবার দোকানটি দাঁড় করাইছি। এখন নতুন করে সব শুরু করছি সব।”

প্রাক দুর্যোগের কাল

কাশির হাটখোলা আগে কপোতাক্ষ নদীর পাড় ঘেঁষা এলাকায় ছিল জীবিকা কেন্দ্র। নদীপথে এসে বাণিজ্য করতেন দূরের ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার হাট বসত এবং হিরার স্বামী বিশ্বজিৎ মণ্ডল ও তাঁর স্ত্রী মিষ্টি ও ডাল-ভাত বিক্রি করতেন। স্বপ্ন ছিল বড় হবে ছানার রসগোল্লা ও সন্দেশ তৈরি করে দোকানটি বিস্তার পেয়ে যাওয়া।

“কপোতাক্ষ নদী শুধু ঘর নেইনি, জমিও নেগেছে। ফেরার মতোন কোনো জায়গা আর ছিল না,” হিরা বলেন।

২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে কপোতাক্ষ নদী পাড় ভেঙে দিয়ে সম্পূর্ণ বিপর্যয় ঘটে। দুপুরে প্রবল বাতাস ও পানির ঝড় চলতে থাকে। হিরার সাথে তাঁর ছোট মেয়ে পূজা সাথে সরে আসে অনিশ্চিত ভবিষ্যতে। বেদকাশী ইউনিয়নের আরও অনেক পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে বেড়িবাঁধে আশ্রয় নেয়। তাঁবু খাটানোর মাধ্যমে নতুন জীবন শুরু হয়। সেই সময় দোকানে বসেই সব কষ্ট ভুলে না গেল।

“মেয়ের জন্মের সময় ডাক্তার বলিছিল সিজার লাগবে। তখন হিন্দু-মুসলমান সবাই এগিয়ে আইসে সাহায্য করিছে,” হিরা জানান।

বাঁধসংলগ্ন খাসজমিতে বাড়ি ও দোকান তৈরি করার পর হিরা আবার কাজে পরিচালনা শুরু করেন। তিনি স্বামী ও মেয়ে সহ অনিশ্চিত ভবিষ্যতে বিশ্বাস করেন। কিন্তু সাধারণ মিষ্টি বানানোর অভিজ্ঞতা ছাড়া ছানার মিষ্টি তৈরি করার স্বপ্ন সত্যিই সুদূর দূর্যোগ থেকে বাঁচতে হয়।

নতুন স্বপ্নের যাত্রা

গত বছর হিরা স্বামী সহ ব্যবসা চালাতে থাকেন। প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা কিস্তি দিতে হয় ঋণ থেকে। সবচেয়ে বড় দুঃখ হয় জমি নিয়ে। যে সরকারি জমিতে ঘর ও দোকান তোলা হয়েছে, সেটি ফেরার

Leave a Comment