সিরাজগঞ্জে হঠাৎ ভাঙা ডিমের দাম বাড়ছে কেন
স র জগঞ জ হঠ ৎ ভ – রায়গঞ্জ উপজেলার মানুষদের মধ্যে ভাঙা ডিমের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফার্মে উৎপাদিত মুরগির ডিম থেকে শুরু করে সব ধরনের ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বল্প আয়ের মানুষ এখন দোকানে দোকানে ভাঙা ডিম খুঁজছেন। কিছু সময় আগে প্রতি হালি ডিমের দাম ৩৬-৩৮ টাকা ছিল, কিন্তু এখন তা ৪৮-৫০ টাকায় পৌঁছেছে।
সাধারণত বিক্রি করতেন ডিম বিক্রেতারা দুই হাজার ডিম দিনে বিক্রি করতেন, কিন্তু দাম বাড়ার পর সে পরিমাণ কমে দুই হাজারের কম হয়ে পড়েছে। মো. রঞ্জু সরকার নামে বাজারে ডিম বিক্রি করতেন ধানগড়া বাজারে সেন্টার পয়েন্টের সামনে। তিনি জানান যে দাম বাড়ার কারণে ডিম বিক্রি কমে গেছে।
ব্যবসায়ীদের মতামত
প্রতিটি ভাঙা ডিম আগে পাঁচ-ছয় টাকায় বিক্রি হলেও এখন আট টাকায় বিক্রি করেন। ধানগড়া বাজারে তিনজন ডিম ব্যবসায়ী জানান যে পরিবহনের সময় কিছু ডিম ভেঙে যাওয়ায় এগুলো আলাদা করে রাখা হয়।
আমরা বুঝতে পারছি না ডিমের দাম বাড়ল কেন। দাম বৃদ্ধি পেলে ডিম বিক্রি কমে গেছে। অনেকে আবার ভাঙা ডিম খুঁজছেন।
আগে কখনো ভাঙা ডিম কিনতে হয়নি। যে দামে ভালো ডিম কিনতেন, এখন সেই দামে ভাঙা ডিম কিনছেন।
চাহিদা ও ব্যবসার পরিবর্তন
সাধারণ মানুষের পুষ্টির বড় অংশ আসে মুরগির ডিম থেকে। ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে।
বর্তমানে ধানগড়া বাজার এবং উপজেলার অন্যান্য বাজারে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম ৪৮-৫০ টাকা, হাঁসের ডিমের দাম ৬০-৬৫ টাকা, সোনালি মুরগির ডিমের দাম তার সমান হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতাদের সমস্যা
ভাতের সঙ্গে ডিম ভাজার জন্য কিছু মেয়ের বাড়িতে ডিম নিয়ে আসতেন আগে। কিন্তু এখন ভাঙা ডিম খুঁজছেন কেউ কেউ। শিক্ষক সেলিম রেজা খোন্দকার বলেন যে নিম্ন আয়ের মানুষের পুষ্টি সম্পূর্ণ ভাঙা ডিমের উপর নির্ভর করছে।
