হামজা চৌধুরীকে বিএসপিএ ক্রীড়া পুরস্কারে বর্ষসেরা ঘোষণা করা হয়
ক ল ব এসপ এ ক র – বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) তাদের সালান্তি সালে বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে হামজা চৌধুরীকে নির্বাচিত করেছে। এই পুরস্কার বিচারকদের মতামত ও ক্রীড়াপ্রেমীদের ভোট দ্বারা নির্ধারিত হয়। অনুষ্ঠানটি বিএসপিএ আয়োজনে রাজধানীর পান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সংস্থার অন্য দুটি পুরস্কারের জন্য নাম ঘোষিত হয়েছিল আগেই। হামজা অনুষ্ঠানে ছিলেন না। তিনি ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে দেশের কোচ ও খেলোয়াড়দের উপস্থিতি অনুপস্থিত ছিলেন।
‘আমি এই পুরস্কার পেয়ে খুবই গর্ববোধ করছি। কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড দেশের ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার। আমি আমার পরিবার, কোচ, সতীর্থ ও বন্ধুদের এবং ফ্যানদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি, সারা বছর ধরে আমাকে ও জাতীয় দলকে সাপোর্ট দেওয়া জন্য।’
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন মালিক মোহাম্মদ সাইদ
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সিইও মালিক মোহাম্মদ সাইদ। স্কয়ার টয়লেট্রিজ ব্র্যান্ড কুল এই পুরস্কারে টানা ১১ বার বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।
মালিক মোহাম্মদ সাইদ বলেন, ‘বিএসপিএ ক্রীড়া সাংবাদিকদের প্রাচীন সংগঠন। এই অ্যাওয়ার্ডে আমাদের সঙ্গে রাখার জন্য আমি বিএসপিএকে ধন্যবাদ জানাই।’
বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছিল
১৯৬৪ সালে প্রথম ক্রীড়া পুরস্কার প্রবর্তন করা বিএসপিএ এবার ১৬টি বিভাগে সর্বমোট ১৫ জন বর্তমান ও সাবেক ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও সংস্থাকে পুরস্কৃত করেছে।
বিভাগগুলো ও বর্তমান বিজয়ীদের তালিকা
১. বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ: হামজা চৌধুরী (চ্যাম্পিয়ন), ঋতুপর্ণা চাকমা (রানারআপ), আমিরুল ইসলাম (রানারআপ)।
২. পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ড: হামজা চৌধুরী।
৩. বর্ষসেরা ক্রিকেটার: রিশাদ হোসেন।
৪. বর্ষসেরা ফুটবলার: হামজা চৌধুরী ও ঋতুপর্ণা চাকমা।
৫. বর্ষসেরা হকি খেলোয়াড়: আমিরুল ইসলাম।
৬. বর্ষসেরা আর্চার: আবদুর রহমান আলিফ।
৭. বর্ষসেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড়: খই খই সাই মারমা।
৮. বর্ষসেরা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়: আল আমিন জুমার।
৯. উদীয়মান ক্রীড়াবিদ: রিপন মন্ডল (ক্রিকেট)।
১০. বর্ষসেরা কোচ: পিটার বাটলার (নারী ফুটবল)।
১১. বর্ষসেরা আম্পায়ার: সেলিম লাকী (হকি)।
১২.
