শিল্পী রফিকুন নবী: কবি-সাহিত্যিকদের সঙ্গে সম্পর্ক আলোকিত করেছিল তরুণ সময়
কব স হ ত য কদ র – বাংলাদেশের রাজধানী ধানমন্ডিতে বেঙ্গল শিল্পালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া এক আলোচনা সভায় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চিত্রশিল্পী রফিকুন নবী (রনবী) তাঁর বয়স্ক সময়ে কবি ও সাহিত্যিকদের সাথে আড্ডার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। সভার আয়োজনকারী কালি ও কলম পত্রিকা এবং বেঙ্গল ফাউন্ডেশন এর সংস্কৃতি কেন্দ্রিক অনুষ্ঠানে প্রথম আলো সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
আড্ডা কেন গুরুত্বপূর্ণ ছিল তাঁর জন্য
রফিকুন নবী বলেন, কবি-সাহিত্যিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তাঁর বৃত্তির মূল কারণ। যে সময়ে সেই আড্ডাগুলো অবিচ্ছিন্ন ছিল, তখন তিনি তাঁদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করতেন। তাঁদের মনের বিষয়গুলো অনুমান করতেন এবং সৃজনশীল কর্মে পরিচিত হতেন।
যদি আড্ডাগুলো না থাকত, ওই ঘনিষ্ঠতা যদি না থাকত, তাহলে আজকে শুধু তিনি নন; অনেক শিল্পী এত দূর আসতে পারতেন না।
সন্ধানীত সময়ের বিশেষ মূল্য
রফিকুন নবী তাঁর মনে আছে, প্রাচীন সময়ে সচিত্র সন্ধানীত পত্রিকায় সাংস্কৃতিক আলোচনা হতো। সেখানে শামসুর রাহমান, শওকত ওসমান সহ বিশিষ্ট সাহিত্যিকদের সাথে আড্ডা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর সৃজনশীলতা বিকশিত হয়েছিল। সেই আড্ডার মাধ্যমে শিল্প ও সাহিত্যের সংযোগ ঘটেছিল।
বর্তমান প্রযুক্তির প্রভাব
আলোচনার মাঝখানে একজন দর্শনার্থী প্রশ্ন করেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই কতটা বিশেষ হয়েছে। রফিকুন নবী বলেন, নতুন প্রযুক্তি ছিল যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সময়। বর্তমানে এআই দিয়ে একই ধরনের ইলাস্ট্রেশন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এআই থেকে প্রাপ্ত ড্রয়িং শিল্পীদের হাতের কর্ম থেকে আলাদা বলে মনে হয়।
যে ছবিগুলো আঁকা আছে, সেখান থেকে একটা সাধারণ ধারণা নিয়ে আঁকে এআই। ফলে সব ছবি একই রকম হয়। এটা হয়তো একসময় সৃজনশীল জায়গায় গিয়ে পৌঁছাবে। তবে এখন পর্যন্ত সে জায়গায় পৌঁছায়নি।
এআই সম্পর্কে মন্তব্য
বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী বলেন, কবি-সাহিত্যিকদের সঙ্গে শিল্পীদের সংযোগ কমে আসছে। সেই বিচ্ছিন্নতা বর্তমান সময়ে কাজের গুণ কমাচ্ছে। স
