ঘূর্ণিঝড়ের কবলে কলকাতা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু
ঘ র ণ ঝড় র কবল কলক – ঘূর্ণিঝড়ের কবলে কলকাতার সম্পূর্ণ শহর ছাড়াও আশেপাশে বিস্তৃত অঞ্চলগুলি বিপর্যয়ের কবলে পড়ে। শুক্রবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে ঝড় বিস্তার করে প্রায় সামগ্রিক দুর্যোগের কবলে নিয়ে যায়। ঘূর্ণিঝড় কলকাতার শহর এবং প্রদেশের বিভিন্ন জেলাগুলিকে ঘিরে ধরে, যার ফলে আঘাত প্রাপ্ত বিভিন্ন এলাকায় সড়কে গাছের চারপাশে ঝড় ভেঙে পড়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা ক্ষুব্ধ হয়। এই ঘূর্ণিঝড়ের বেগ ঘণ্টায় প্রায় ৮৮ কিলোমিটার, যা ঘৃণিত দুর্যোগের কারণ হয়ে উঠে। ঝড়ের আঘাতে সড়কে গাছ ভেঙে পড়ায় পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলির বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যার ফলে কিছু প্রাণ হারিয়ে যায়। বিপর্যয় মোকাবিলার দল সামগ্রিক আঘাত ক্ষুন্ন করতে প্রচুর সময় নেয়।
ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে প্রাণহারণ
ঘূর্ণিঝড় দুর্যোগের কারণে হুগলি নদীর প্রিন্সেপ ঘাটে রেল লাইনে গাছ ভেঙে পড়ায় প্রবাহ আগুন ধরে যায়। এই ঝড়ের আঘাত এবং প্রাকৃতিক অপরাধে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুত বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। ঝরে পড়া গাছের কারণে সড়কের ওপর যাতায়াত ব্যাহত হয়, যার ফলে কিছু ব্যক্তি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। সেই ঘটনায় একজন মানুষের মৃত্যু হয়, যার নাম এখনো নির্ধারণ হয়নি। ঝড়ের আঘাতে অনেক পানি জমে যায়, কিছু জায়গায় মানুষ পানিতে আটকে থাকে। এগুলি বিভিন্ন স্থানে গাড়ির উপর পড়ে ক্ষতি করে।
ঘূর্ণিঝড়ের কবলে কলকাতার মানুষদের বিপন্ন করে দেয়, তাদের মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া ঘটনার কথা শুনে অসংখ্য লোক ভীত হয়। ঝড়ের কারণে একটি গাছ ভেঙে পড়ে এবং কিছু মানুষ তার কাছে আটকে থাকে। ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত ঘোষণা করা হয়েছে একটি সামগ্রিক বিপর্যয়ের কবলে কলকাতা আঘাত প্রাপ্ত। সামগ্রিক অস্থিরতা ঘটে ঝড়ের আঘাতে সড়কে গাছ ভেঙে পড়ায়। এটি ঘূর্ণিঝড়ের কবলে কলকাতার জন্য আরও বিপদ বাড়িয়ে দেয়।
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজন মানুষের মৃত্যু
ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কলকাতার শিয়ালদহ-বনগাঁ লাইনে গাছ ভেঙে পড়ায় তার উপর ঝরে পড়ে। একজন মানুষ কুড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। তার নাম স্থানীয় তথ্য স্থাপন হয়নি। তবে রেল চিকিৎসকেরা তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন। ঝড়ের কারণে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় সড়কে গাছ ভেঙে পড়ায় যাতায়াত সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়। অনেক বিদ্যুৎ পুলিশ সেই ঘটনার কাছে
