জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ সৃষ্টির তদন্ত চায় রপ্তানিমুখী ২৬ প্রতিষ্ঠান
জ ল য় ত র ম ধ – প্রিমিয়ার ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আওয়ামী লীগের আমলে ঘুষ দিয়ে ঋণ সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই সময় ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন এইচ বি ম ইকবাল এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ছিলেন মোহাম্মদ আবু জাফর ও শাহেদ সেকান্দার। অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ছিলেন শহিদ হাসান মল্লিক, সৈয়দ নওশের আলী এবং শাহেদ সেকান্দার। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সহযোগে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে জালিয়াতি করেছে ব্যাংক। এটি নারায়ণগঞ্জ শাখার গ্রাহকদের বিপরীতে বিক্রি চুক্তি ও ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র তৈরি করেছে।
রপ্তানিকারকদের বিপরীতে সমপরিমাণ অর্থ জমা করে দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই অর্থ ব্যবহার করে মার্কিন ডলার কিনে জাল ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণের দায় পরিশোধ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো অভিযোগ করছে যে ব্যাংক তাদের হিসাব বিবরণী চাইলেও কাউকে তা প্রদান করেনি। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছে যে ব্যাংক তাদের সঙ্গে চরম জবরদস্তি চালিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছেন তদন্ত করা আবশ্যক
রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছে যে ব্যাংকের বিপরীতে বিপর্যয়ের কারণে সামাজিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত করা হলে পরিস্থিতি উঠে আসবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীদের। তিনি বলেন, ব্যাংক তাদের ঋণ পুনঃতফসিল করতে চাপ দিয়েছে যে পুনঃতফসিলের শর্ত মেনে স্বাক্ষর না করলে সব ধরনের ঋণসুবিধা বাতিল করবে। ফলে কারখানার শ্রমিকদের বেতন দেওয়া যাবে না বলে অভিযোগ হয়েছে।
‘আমরা শুরুতে ব্যাংকের কাছেই অন্যায়ের প্রতিকার চেয়েছি। না পেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানিয়েছি। পরে আদালতেরও শরণাপন্ন হয়েছি। নিষ্পত্তিমূলক কোনো পদক্ষেপ এখনো পাইনি। আমরা চাই ভালো একটি ফার্ম দিয়ে শুধু নিরীক্ষাটা হোক,’ বলেন ডোয়াসল্যান্ড অ্যাপারেলসের এমডি আরিফুর রহমান।
তাঁদের পক্ষে এমডি আরিফুর রহমান বলেন, বেশ কয়েকটি নিরীক্ষার কাজ চলমান। একটি নিরীক্ষা হবে শুধু নারায়ণগঞ্জ শাখাকে ফোকাস করে। জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দিয়ে ব্যাংকে একটি কমিটিও গঠন করা হয়ে
