Uncategorized

ঋণসুবিধা দুই শ্রেণির কোম্পানিতে, দিনের শুরুতে সূচকের উত্থান

ঋণস ব ধ দ ই শ র - শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে শুধু দুই শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে ঋণসুবিধা পাওয়া যাবে। শ্রেণি দুটি হচ্ছে ‘এ’ ও

Desk Uncategorized
Published August 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Share_bazar
Foto : Linda Hernandez - banglaprabah.com
Table of Contents
  1. Related Reading
  2. Frequently Asked Questions

Banglaprabah.com – ঋণস ব ধ দ ই শ র – শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে শুধু দুই শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের বিপরীতে ঋণসুবিধা পাওয়া যাবে। শ্রেণি দুটি হচ্ছে ‘এ’ ও ‘বি’। আর এই দুই শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ঋণ পাবে শুধু ৪০ মূল্য আয় অনুপাতের (পিই রেশিও) নিচে থাকা কোম্পানিগুলো। শেয়ারের বিপরীতে ঋণসুবিধা দিতে সংশোধিত মার্জিন (ঋণ) বিধিমালায় এ বিধান রেখেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত সোমবার রাতে সংশোধিত এই বিধিমালার গেজেট প্রকাশিত হয়। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মোট পাঁচটি শ্রেণি রয়েছে। এগুলো হলো ‘এ’, ‘বি’, ‘জি’, ‘এন’ ও ‘জেড’। ইংরেজি আদ্যক্ষরে বিভাজিত এই শ্রেণিগুলোর মধ্যে ‘এ’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানিগুলোকে ভালো মানের কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ‘বি’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানিগুলো মাঝারি মানের কোম্পানি হিসেবে বিবেচিত। এ ছাড়া ‘জি’ শ্রেণিটি হচ্ছে গ্রিন ফিল্ড কোম্পানির জন্য। বর্তমানে এই শ্রেণিভুক্ত কোনো কোম্পানি বাজারে নেই। ‘এন’ শ্রেণিটি নির্ধারিত নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য। আর ‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানিগুলো বিবেচিত হয় দুর্বল মানের কোম্পানি হিসেবে। সংশোধিত মার্জিন বিধিমালা অনুযায়ী, শেয়ারবাজারে গ্রিন ফিল্ড, নতুন তালিকাভুক্ত ও ‘জেড’ শ্রেণির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে কোনো ঋণসুবিধা পাবেন না বিনিয়োগকারীরা। এর বাইরে এসএমই, এটিবি এবং ওটিসি বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রেও কোনো ঋণসুবিধা পাওয়া যাবে না।. সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, ‘এ’ ও ‘বি’ শ্রেণিভুক্ত সব কোম্পানির শেয়ারেও ঋণসুবিধা পাবেন না বিনিয়োগকারীরা। শুধু এই দুই শ্রেণিভুক্ত যেসব কোম্পানির মূল্য আয় অনুপাত ৪০-এর নিচে রয়েছে, সেসব কোম্পানির বিপরীতে ঋণসুবিধা পাওয়া যাবে। শেয়ারের এই মূল্য আয় অনুপাত হিসাব করা হবে কোম্পানির সর্বশেষ লেনদেন দিবসের বাজারমূল্যকে ওই কোম্পানির সর্বশেষ চার প্রান্তিকের শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএসের যোগফল দিয়ে ভাগ করে। তবে তালিকাভুক্ত জীবনবিমা খাতের কোম্পানির ক্ষেত্রে হিসাবটি হবে কিছুটা ভিন্ন। জীবনবিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে ঋণের হিসাব হবে সম্পদমূল্যের ভিত্তিতে। যেসব জীবনবিমা কোম্পানির শেয়ারের বাজারমূল্য মোট সম্পদমূল্যের চেয়ে তিন গুণের বেশি নয়, শুধু সেসব কোম্পানির শেয়ারে ঋণ পাবেন বিনিয়োগকারীরা। ডিএসইতে ‘এ’ ও ‘বি’ শ্রেণিতে তালিকাভুক্ত যেসব কোম্পানি রয়েছে, এর মধ্যে সংশোধিত মার্জিন বিধিমালা অনুযায়ী শতাধিক কোম্পানির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে ঋণসুবিধা পাবেন বিনিয়োগকারীরা। যার মধ্যে বেশির ভাগ কোম্পানিই ‘এ’ শ্রেণিভুক্ত। বর্তমানে ডিএসইতে ‘এ’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানি রয়েছে ১৯৫টি। আর ‘বি’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা ৭৪। যেসব কোম্পানির পিই রেশিও ৪০-এর বেশি, সেসব কোম্পানির শেয়ারে ঋণ পাওয়া যাবে না, তাই ‘এ’ শ্রেণিভুক্ত হওয়ার পরও অনেক শেয়ার ঋণ পাওয়ার অযোগ্য বিবেচিত হবে।. এদিকে সংশোধিত মার্জিন বিধিমালার গেজেট প্রকাশের পর আজ মঙ্গলবার দিনের শুরুতেই শেয়ারবাজারে সূচক বেড়েছে। লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সূচকেরও উত্থান হয়েছে। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম সোয়া এক ঘণ্টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫১ পয়েন্ট বা প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে। মূল্যবৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিমা খাতের শেয়ারের আধিপত্য দেখা গেছে প্রথম এক ঘণ্টার লেনদেনে।

Frequently Asked Questions

What is ঋণস ব ধ দ ই শ র?

ঋণস ব ধ দ ই শ র is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ঋণস ব ধ দ ই শ র matter?

ঋণস ব ধ দ ই শ র matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment