আষাঢ়ের বিকেলে গাইলেন লিসা
আষ ঢ় র ব ক ল গ – প্রথম আলোর কর্মীদের জন্য আষাঢ়ের দিনে রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী লাইসা আহমদ লিসা সামনে আসেন। সংগীতের প্রতিটি অংশ ছিল স্বাগত জানানোর জন্য প্রথম আলোর আয়োজন। মিউজিক@ডেস্ক এ সময় ছিল সাময়িক আয়োজনের অংশ হিসেবে।
গান সাজানোর পরিচয়
শুরুতে তার কণ্ঠে উঠে আসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার ভাব বহনকারী ‘বাদল–দিনের প্রথম কদম’ গান। এ সুরে কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে গানের প্রভাব। তার পরে গানের পটভিত্তি নিয়ে তিনি কথা বলেন।
তিনি জানান, রবীন্দ্রনাথের তখন ৭৮ বছর বয়স। শান্তিনিকেতনে বর্ষামঙ্গলের মহড়া চলছে। শৈলজানন্দ মজুমদার কবিকে গিয়ে বলেন, ছেলেমেয়েদের নতুন গান তুলতে চাওয়া হয়েছিল। পুরোনো গান গাইতে চাওয়া ছিল না।
তারপর শিল্পী অতিথি হয়ে অতুলপ্রসাদ সেনের ‘কে গো গাহিলে পথে’ ও ‘জল বলে চল’ গান গেয়েন। মোট সাতটি গানে তার পার্টিশন ছিল—পাঁচটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা এবং দুটি অতুলপ্রসাদের।
সেরা প্রতিটি গান তার বিশেষ স্থান পায়। যন্ত্রানুষঙ্গ ছাড়া গাইতে শুরু করার সময় তার খালি গলার জাদু 13 তলাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এ গানটি পরিবেশনের আগে সংগীতশিল্পী লিসা বলেন, ‘আপনাদের জন্য আমরা এ রকম একটি সুন্দর আয়োজন করতে পারলাম।’
আয়োজনটি ছিল সাময়িক পরিকল্পনা হিসেবে যার তারিখ গত 22 ডিসেম্বর। কিন্তু সেই আগে 18 ডিসেম্বরে উগ্রবাদীদের হামলার শিকার হয় প্রথম আলো এবং ছায়ানট।
লিসা আহমদ লিসা বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন, আমরা একটি সংক্ষুব্ধ, বিক্ষুব্ধ তাণ্ডবের মধ্য দিয়ে গেছি। কিন্তু আমরা সবাই ফিরে দাঁড়িয়েছি। এ আয়োজনটি হওয়ার জন্য প্রথম আলোর সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।’
অনুষ্ঠান শেষে সংগীতশিল্পী লিসার প্রতি ধন্যবাদ জানান প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। তিনি বলেন, ‘ছায়ানটের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’
প্রতিটি সংগীতের পরিচালনা করেন প্রথম আলোর হেড অব কালচারাল প্রোগ্রাম কবির বকুল। এ প্রকাশনার জন্য মাসে একবার আয়োজন হয়। এখন পর্যন্ত এ সামগ্রিক আসরে গান শুনিয়েছেন রফিকুল আলম, অদিতি মহসিন, হায়দার হোসেন, বাপ্পা মজুমদার, রাহুল আনন্দ, কৃষ্ণকলি ইসলাম, কনক আদিত্য, ফারজানা ওয়াহিদ সায়ান, নবনীতা চৌধুরী, নাফিস কামাল, আহমেদ হাসান সানি এবং ঋতুরাজ বৈদ্য।
