আবারও পাল্টাপাল্টি হামলা, নতুন করে নিষেধাজ্ঞা
আব রও প ল ট প ল – ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা চলছে, কিন্তু হামলার ঘটনা অবিলম্বে চলছে। গত বৃহস্পতিবার দুই দেশের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি হামলার দাবি জানানো হয়।
ওয়াশিংটন ইরানের হরমুজ প্রণালি পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এ হামলা ইরানি ড্রোনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
তবে হামলার সূত্র কোথায় ছিল, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গতকাল দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা স্বাক্ষর করে শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করছে। কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সেন্টকম দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে চারটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে। তাদের এ অভিযান ‘পরিমিত, সম্পূর্ণ আত্মরক্ষামূলক এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে পরিচালিত’ হয়েছে।
এ অঞ্চলে ইরানি ড্রোনের মাধ্যমে অভিযান লক্ষ্য করে মার্কিন হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের কর্তৃপক্ষ নৌযান থেকে অর্থ আদায় করছে। বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনা প্রমাণ করেছে যে তেহরান অর্থের জন্য মরিয়া হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সর্বাত্মক যুদ্ধ এখন ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির আওতায় সাময়িক স্থগিত রয়েছে। এর মধ্যে তিন মাস পেরিয়ে গেছে। চলছে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা শুরু হয়। তবে সে চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। এরপর পর্দার আড়ালে চলছে আলোচনা। চুক্তির আশা বর্তমানে কোনো দাবি করা হয়নি।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দার ওয়াশিংটনে সফর করছেন। ওখানে মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করবেন। নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার খবর পাওয়ার পর যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় দেখা শুরু হয়েছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা দুই পক্ষকে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানায়, এবং আবারও সামরিক পদক্ষেপে না ফিরতে সতর্ক করেছেন।
