Uncategorized

অনেক আগে থেকে কেন জার্মানি যেতে চাইতাম, গিয়ে কী দেখলাম

অনেক আগে থেকে কেন জার্মানি যেতে চাইতাম, গিয়ে কী দেখলাম অন ক আগ থ ক ক ন - গত এপ্রিলে মেসেঞ্জারে একটি অপরিচিত ব্যক্তি আমাকে জার্মানি যাওয়ার আমন্ত্রণ জানালেন।

Desk Uncategorized
Published June 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

অনেক আগে থেকে কেন জার্মানি যেতে চাইতাম, গিয়ে কী দেখলাম

অন ক আগ থ ক ক ন – গত এপ্রিলে মেসেঞ্জারে একটি অপরিচিত ব্যক্তি আমাকে জার্মানি যাওয়ার আমন্ত্রণ জানালেন। তিনি জার্মানি দূতাবাসে কাজ করেন এবং আমাকে একটি আয়োজনের জন্য দাওয়াত দিতে চাইছেন। আমি সেই আমন্ত্রণে রাজি হয়ে গেলাম, যেহেতু আগে আমার কখনো বিদেশ যাওয়ার সুযোগ হয়নি। এই আয়োজনটি সুইজারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব লুজান থেকে পাওয়া গবেষণা প্রবন্ধের পর ভিসা পেলে আমি খুশি হয়েছিলাম।

আয়োজনটির শিরোনাম ছিল, ‘রিলিজিয়াস ফ্রিডম অ্যান্ড ইন্টিগ্রেশন ইন জার্মানি: মুসলিম লাইফ ইন জার্মানি’। এটি বাংলায় অনুবাদ করে বলা যায়, জার্মানির প্রাত্যহিক সামাজিক জীবনে মুসলিমরা কতটা ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে অন্তর্ভুক্ত হতে পারছেন তা দেখানো। আমরা সাত দিনের সফরে গেলাম এবং এই সময়টিতে বিশেষ প্রসঙ্গ ঘটেছিল।

জার্মানিতে আমাদের দলে ছিলেন ১০ থেকে ১১ জন বিশেষজ্ঞ। তারা বাংলাদেশ, ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, জর্জিয়া, ঘানা, লেবানন ও আইভরি কোস্ট থেকে একজন করে এবং তুরস্ক থেকে দুই জন। গবেষক, ধর্মবিদ্যাবিদ, স্কুলশিক্ষক, এনজিও কর্মী আর সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন আমাদের দল।

জার্মানির তিনটি শহর নিয়ে গেছিলাম। সেখানে মুসলিম সম্প্রদায়ের নানা অংশের সঙ্গে আলাপ করা হয়েছিল। মসজিদ, এডুকেশন সেন্টার এবং একটি মুসলিম নারীদের পরিচালিত সংস্থার সাথে আমরা পরিচয় পেলাম। একটি ইন্টারফেইথ আয়োজনে জার্মান ফরেন অফিস, ধর্ম ও ফরেন পলিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আর পার্লামেন্টের এমপিদের সাথে আলাপ করা হয়েছিল। মিউজিয়াম আর আরব কলোনি দেখানো হয়েছিল।

জার্মান সরকার এবং ফরেন অফিসের দায়িত্বশীল ব্যক্তি বলেছিলেন, “ইসলাম বিলংস টু জার্মানি।”

জার্মানির সবকিছুতে ইসলাম ও মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জার্মান সংবিধান দেশের প্রত্যেক নাগরিককে সমান সুযোগ–সুবিধা দেয় ধর্ম মানার এবং তা পালন করার জন্য।

মুসলিম জনসংখ্যা জার্মানিতে ৫৫ থেকে ৫৬ লাখ (যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৬ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ)। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে

Leave a Comment