Uncategorized

মা-বাবা ও স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ

ভোলায় তাঁকে মাতৃ-পিতৃ এবং প্রয়াত স্ত্রীর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে পারিবারিক কবরস্থানে শেষ সমাহন ম ব ব ও স ত র - মঙ্গলবার বিকেলে তোফায়েল

Desk Uncategorized
Published June 2, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ভোলায় তাঁকে মাতৃ-পিতৃ এবং প্রয়াত স্ত্রীর কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে

পারিবারিক কবরস্থানে শেষ সমাহন

ম ব ব ও স ত র – মঙ্গলবার বিকেলে তোফায়েল আহমেদের শেষ অনুষ্ঠান পূর্ণ হয়। তাঁর মরদেহ দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে মা-বাবা ও স্ত্রীর কবরের পাশে শায়িত হয়। দুপুরে হেলিকপ্টারে মরদেহ ভোলায় আনা হয়। প্রথম জানাজা শেষে আগের দিন সকালে কবর খনন এবং সামগ্রিক আনুষ্ঠানিকতা চালু হয়।

মাঠে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার আগে ভোলা সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ে কিছু উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতারা জানাজার স্থান পরিবর্তনের দাবি জানায়। তাদের স্লোগান হয়,

‘আওয়ামী লীগের আস্তানা, এই ভোলাতে রাখব না’ এবং ‘ছাত্রলীগের আস্তানা, এই ভোলাতে রাখব না’

। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত জেলা বিএনপির নেতারা পরিস্থিতি শান্ত করেন।

বিকেল ৪টায় কোড়ালিয়া গ্রামে তাঁর বাড়ির সামনে অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় জানাজা। মরদেহ তাঁর জন্মভূমি কোড়ালিয়ায় গ্রামে সুষ্ঠু ভাবে সমাহন করা হয়।

জীবন এবং রাজনৈতিক কর্ম

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্র জীবন থেকে রাজনৈতিক কর্মে জড়িত হন। গণ-অভ্যুত্থানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নানা অবদান রেখেন।

১৯৭০ সালে ভোলার দৌলতখান-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর মৃত্যুর পর পর্যন্ত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ জীবনে তিনি বেশ কয়েকবার মন্ত্রী হিসেবে কর্ম করেন।

তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। শেখ মুজিবুর রহমানের সহচর হিসেবে তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সমাপ্তি পর্যন্ত বার্ধক্যের কারণে নানা জটিলতা ভুগছিলেন।

Leave a Comment