ঈদ র ত ত য় দ ন – অনুভূতি প্রকাশ করেছেন শিশুরা এবং পরিবার নিয়ে এসেছেন একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
ঈদ র ত ত য় দ ন – ঈদের তৃতীয় দিনে আহসান মঞ্জিলে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল অপরিসীম। সন্তানদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য ঘুরে দেখার প্রতিশ্রুতিতে বেড়েছে মাতৃকার সাথে দর্শনের আগ্রহ। শনিবার এখানে নিয়ে আসা বাবা-মা আর সন্তানদের কথা বলছেন ইভা আক্তার। তিনি বলেন, “ঈদের তৃতীয় দিনে শিশুদের প্রকৃতি ও ঐতিহাসিক বিষয়গুলো আরও ঘন ঘন দেখতে চাই। তাই দুই সন্তান লিমন ও আয়ানকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এখানে আসিছি।” সেই সাথে তিনি জানান যে বাবা-মা কিছুটা সময় কাটানোর পাশাপাশি সন্তানদের ইতিহাস সম্পর্কে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জানানো সম্ভব। শনিবার দুপুরে প্রাঙ্গণে চলমান ঘূর্ণিঝড়ে দর্শনার্থীদের অসংখ্য আসা দেখা গেল।
আহসান মঞ্জিলে ইতিহাসকে আয়ত্ত করতে শিশুদের সাথে স্থাপনা দেখেছেন নিয়মিত দর্শনার্থীরা
ঈদের তৃতীয় দিনে আহসান মঞ্জিল ছিল সাফারি পার্কের মতো জনপ্রীত স্থান। প্রাঙ্গণে অসংখ্য মানুষ ঘুরে দেখছেন এবং দর্শনার্থীদের জন্য সময় কম হওয়ায় আরও কাছাকাছি দেখার ইচ্ছা জাগছে। রিদওয়ান হোসেন সাবিত বলেন, “ঈদের তৃতীয় দিনে আমরা আহসান মঞ্জিল ঘুরে দেখতে আসিছি। পাঠ্যবইয়ে শিক্ষার্থীদের তুলনায় বেশি তথ্য জানার সুযোগ পেয়েছি। ইতিহাসকে আরও প্রত্যক্ষ অনুভব করতে পারিছি।” বাবা সানোয়ার হোসেন তাঁর ছোট বোন সাদিয়া হোসেন সহ দশম শ্রেণির ছাত্র সাবিত এবং জীবন ইসলামের পরিবার আহসান মঞ্জিলে ঘুরে দেখছেন জনপ্রিয়তা সৃষ্টি করতে।
ঈদের তৃতীয় দিনে সম্প্রতি সাইটটি জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে যেহেতু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য সম্পর্কে শিশুদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি পরিবার এখানে আসছেন। আহসান মঞ্জিল প্রবেশ বন্ধ করা হয় দুপুর পাঁচটায় দর্শনার্থীদের জন্য। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা সময়ের টানে ঘুরে দেখে এসেছেন। যার ফলে বিভিন্ন বয়সের শিশু আর মাতৃকার সমান সুখে নিয়মিত দেখা যাচ্ছে এখানে।
ঈদের তৃতীয় দিনে আহসান মঞ্জিল ঘুরে দেখার দৃশ্য অপরিসীম আনন্দ নিয়ে মানুষকে মুখর করেছে। অনেকে তার মুখর চিত্র সৃষ্টি করেছেন ফটোগ্রাফি সহ। অন্যরা তার মাধ্যমে আহসান মঞ্জিলের ঐতিহাসিক বিষয়গুলো ঘুরে দেখে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। আশরাফুল আলম বলেন, “ঈদের তৃতীয় দিনে আহসান মঞ্জিলে বেশ কয়েকটি পরিবার নিয়ে আসা দেখা গেছে। তাদের সম্পর্কে জানা দরকার।”
ঈদের তৃতীয় দিনে সবচেয়ে বেশি দর্শনার্থী আহসান মঞ্জিলে আসেন। দুই সন্তান ও মাতৃকার সাথে দর্শন করার আগ্রহ আছে এবং দর্শনার্থীদের প্রতিক্রিয়াও প্রাচুর্য পাচ্ছে। জীবন ইসলামের বাবা সোনাই মুনসী বলেন, “ঈদের তৃতীয় দিনে আমরা সময়
