Uncategorized

৩৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা রাশিয়ার, বহন করতে পারে পরমাণু অস্ত্র

রাশিয়া নতুন ৩৫ হাজার কিলোমিটার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে ৩৫ হ জ র ক ল ম - ৩৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়া দ্বারা পরীক্ষিত হয়েছে, যা পরমাণু

Desk Uncategorized
Published May 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রাশিয়া নতুন ৩৫ হাজার কিলোমিটার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে

৩৫ হ জ র ক ল ম – ৩৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়া দ্বারা পরীক্ষিত হয়েছে, যা পরমাণু অস্ত্র বহন করার ক্ষমতা সম্পন্ন। এই ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে রাশিয়া পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে পৌঁছে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। ক্ষেপণাস্ত্রটির পরিসংখ্যান প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার, যা সামরিক ক্ষমতার একটি স্বাক্ষর হিসাবে চিহ্নিত হয়। এটি আইসিবিএম বা আন্তর্জাতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে পরিচিত হয়।

পরীক্ষা পরিচালনার প্রতিবেদন

গত মঙ্গলবার সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা পরিচালিত হয়, যা রাশিয়ার সামরিক শক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরীক্ষার পর ভ্লাদিমির পুতিন ক্ষেপণাস্ত্রের দূরপাল্লার কথা ঘোষণা করেন, যা পরমাণু অস্ত্র বহন করতে সক্ষম। তিনি দাবি করেন যে এটি পশ্চিমা সামরিক বাহিনীর প্রতি আক্রমণের প্রতিরোধ করতে পারে।

পরমাণু অস্ত্রের দায়িত্বে সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা পরিচালনা করার পর ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, “এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।”

সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা হয় যখন রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি শেষ হয়েছে। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ ফেব্রুয়ারিতে অবসান ঘটে, এর পর উভয় দেশের সামরিক সীমান্ত বৃদ্ধি করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এই পরিবর্তনের ফলে রাশিয়া আরও বেশি শক্তি সংগ্রহ করতে পারে।

বিশ্ব পরিস্থিতির প্রতিবেদন

৩৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা রাশিয়ার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করে। এই সময়ে পশ্চিমা সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে রাশিয়া স্বাধীন হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে চুক্তি অবসানের পর ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনা আরও গুরুতর হয়ে ওঠে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু অস্ত্র সংক্রান্ত নতুন চুক্তি করতে চান, কিন্তু চীন এই চুক্তির প্রতি নেগেটিভ স্পন্দন প্রকাশ করে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া আইসিবিএম দ্বারা বিশ্বের বিভিন্ন অংশে আঘাত হানতে সক্ষম হবে। ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পর এই সম্পর্কে বিশ্ব পরিচিতি বৃদ্ধি পেয়েছে।

৩৫ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষমতা প্রকাশের পর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এটি পরিস্থিতি বিশ্লেষণে আসে। এই ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনার ফলে সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য রাশিয়া প্রস্তুত হয়েছে। এই সময়ে রাশিয়া সম্ভবত আইসিবিএম সংক্রান্ত পরিচিতি বৃদ্ধি করে।

পরমাণু অস্ত্র বহন করার ক্ষমতার সাথে সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষার ফল বিশ্ব রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে তৈরি করে। এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা �

Leave a Comment