চীনের সাহায্য ছাড়া ইরান যুদ্ধ শেষ করা সম্ভব বলে মনে করেন ট্রাম্প, হরমুজের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী হয়েছে
ইর ন য দ ধ শ ষ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের কোনো সহায়তার প্রয়োজন হবে না। তিনি এ মন্তব্য করেন বেইজিংয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আগে, যখন ইরান ও তেহরানের স্থায়ী শান্তিচুক্তির আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বাধা জাগিয়েছে।
হরমুজের ওপর সামরিক কর্মসূচি অগ্রগতি ঘটেছে
ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান বিষয়ে আমাদের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। শান্তিপূর্ণ উপায়ে হোক বা অন্য কোনোভাবে, আমরাই এই যুদ্ধে জয়ী হব।’ এ সময় ইরান ইতিমধ্যে ইরাক ও পাকিস্তানের সাথে অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে, যা হরমুজ প্রণালি থেকে জ্বালানি তেল ও এলএনজি পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয়।
‘ইরান বিষয়ে আমাদের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। শান্তিপূর্ণ উপায়ে হোক বা অন্য কোনোভাবে, আমরাই এই যুদ্ধে জয়ী হব।’
এই সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বেইজিং করেনি কোনো বিরোধিতা। ট্রাম্প প্রশাসন আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বৈঠকে সি চিন পিং সঙ্গে ইরান যুদ্ধ সম্পর্কে আলোচনা করার জন্য প্রস্তুত। তেহরানের প্রতিক্রিয়াগুলোকে ‘আবর্জনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন ট্রাম্প, যার পরিণতি হিসেবে মার্কিন যুদ্ধ অবসানের চুক্তিতে রাজি করতে চীনকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।
আগ্রাসনের জন্য দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে বলে ট্রাম্প জানিয়েছেন। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ হয়, যা সম্প্রতি ক্ষুণ্ন হয়েছে। ইরান বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তাদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়া।
অন্যান্য দেশও ইরানের সাথে এ ধরনের অংশীদারিত্ব করার প্রস্তাব আনছে, যা হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের সুযোগ আরও বাড়াতে পারে। ইরান ও লেবাননের সম্পর্কে ইসরায়েল হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বাধা দিয়েছে, যা তেহরানের সমর্থিত হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছে।
