২৫০ বছরে আমেরিকা: বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাধীনতা, বন্ধুত্ব ও আগামীর উদ্যাপন
২৫০ বছর আম র ক – আজ থেকে আড়াই শতাব্দী আগে ১৭৭৬ সালে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা নেতারা স্বাধীনতা ঘোষণায় হস্তাক্ষর করেছিলেন। ঐতিহাসিক মুহূর্তে তাঁরা এমন একটি বিশ্বাসের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন যে সব মানুষ সমানভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে। তাঁদের মতে সৃষ্টিকর্তা মানুষের জন্মগত অধিকার দিয়েছেন যা কেউ কেড়ে নিতে পারে না। এই অধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখ অন্বেষণের অধিকার। সেই অধিকার রক্ষার জন্যই সরকার গঠিত হয়। তারা জনগণের সম্মতি ভিত্তিক হয়ে থাকে।
১৭৭৬ সালের ঐ সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা তুলে ধরার পর তাঁরা ঘোষণা করেছিলেন, “এই উপনিবেশগুলো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হয়ে উঠবে। এবং ন্যায়সংগতভাবে তাদের মর্যাদা প্রাপ্ত হবে।” ঘোষণার প্রতি অটল থাকার জন্য তাঁরা নিজেদের জীবন, সম্পদ এবং পবিত্র সম্মান বাজি রেখেছিলেন। এটি সাহসী একটি ঘোষণা ছিল।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষায়, মাত্র এক টুকরা পার্চমেন্ট কাগজ এবং ৫৬টি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়েই মানব ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক যাত্রার সূচনা হয়েছিল আমেরিকা।
তখন যেমন আমেরিকানরা স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন, তেমনি আজও তাঁদের এই আদর্শ প্রতিষ্ঠার কথা তুলে ধরছেন আমরা। স্বাধীনতার ঘোষণার প্রতি আমাদের স্মৃতি নয়, বরং কূটনীতির দীর্ঘস্থায়ী ভূমিকাও চিন্তা করছি। এই ভূমিকাটি আমাদের জাতির পথচলা এবং বিশ্বে আমেরিকার প্রভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
বিশ্বপরিসরে আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণা প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক মাইলফলক উদ্যাপনে আমাদের আয়োজনগুলো ফ্রিডম ২৫০ বৈশ্বিক উদ্যোগের অংশ। এ মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শ স্মরণ ও উদ্যাপন করা হচ্ছে। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মুক্তির চেতনার মূল কথা এখনও তৈরি হচ্ছে। এটি কেবল অতীতের দিকে ফিরে তাকানোর উপলক্ষ নয়, ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার সূচনা মঞ্চ।
বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা বাজি রাখেন আমেরিকার নেতারা। এর মধ্যে রয়েছে ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি এবং মে মাসে স্বাক্ষরিত জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক। এগুলো দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সহায়তা করছে।
আমেরিকার প্রতিষ্ঠার এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদ্যাপনে আমরা বিশ্বের নানা প্রান্তের বন্ধুদের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশের মানুষও তাঁদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে আমেরিকা সপ্তাহ এবং ২০২৬ স
