১৬ জন র স ক ষ নিয়ে আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য শুরু হলো
১৬ জন র স ক ষ য – ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ চলছে। আগামীকাল এ মামলায় আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। সোহেল রানাকে পল্লবী থানা থেকে একটি প্রিজন ভ্যানে আদালতে নিয়ে আসা হয়, যেখানে তাঁকে হাজতখানায় রাখা হয়। বিচারক মাসরুর সালেকীন দ্বারা গ্রহণ করা হয়েছে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দুই আসামির সাক্ষ্য। এই সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে আসামিপক্ষের দাবি প্রমাণের চেষ্টা চলছে।
সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া সংক্ষিপ্ত বিবরণ
আজ মঙ্গলবার বিচারক এজলাসে আসামি দুই জনকে কারাগার থেকে আদালতে নিয়ে আসেন। সোহেল রানার মাথায় হেলমেট ও বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরানো হয়েছে। স্বপ্না আক্তার বসিয়ে রাখা হয়, এবং তাঁর হাতকড়া খুলে দেয়া হয়। পুলিশ সদস্যরা স্বপ্নার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাঁকে থামিয়ে দেন। করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়ায় আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্যের প্রতিটি পর্ব বিশেষ মনোযোগ কেন্দ্রিক হয়েছে। সাক্ষ্যদাতাদের মধ্যে রয়েছে শিশুটির বাবা, মা, বোন, ফুফু ও চাচা সহ অন্যান্য ব্যক্তি। এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হওয়ার পর আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।
ঘটনার প্রতিটি পর্ব পর্যালোচনা
গত ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সোহেল রানা শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তখনই আটক করা হয়। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয় ওই দিনই সন্ধ্যায়। এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে ঘটনার পরদিন শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। তাঁর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া হয় ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে।
বিচারক দুলুর নির্দেশে সাক্ষ্য গ্রহণ করার সময় সোহেল রানাকে মিডিয়াতে কথা বলার সুযোগ থেকে বারণ করা হয়। তিনি হত্যাকাণ্ডের প্রতি নিন্দা করেন। এরপর সাক্ষ্য দেন শিশুটির বাবা, যিনি অসুস্থতার জন্য আদালতের অনুমতি নিয়ে চেয়ারে বসে সাক্ষ্য দেন। তাঁর মাধ্যমে ঘটনার প্রতিটি পর্ব সংক্ষিপ্ত করে বিচারক নিখুঁত তথ্য সংগ্রহ করেন। স্বপ্নার সাক্ষ্য দেয়ার সময় পুলিশ তাঁকে সম্পূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণে রাখে। বিচারক তাঁকে জুনাইদের আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার নির্দেশ দেন।
সাক্ষ্য গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য প্রক্রিয়া শুরু হবে। সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মুখোমুখি হওয়ার পর আসামিপক্ষের আইনজীবী তাদের প্রতি জেরা করেন। শিশুটির মা দ্বারা সংগৃহীত সাক্ষ্যে ঘটনার প্রতি�
