১০ বছর নিষিদ্ধ হয়েছিলাম, শ্রীলেখার বিষয়টি পুনরায় উঠেছে
১০ বছর ন ষ দ ধ ছ – টলিউডে বহু বছর ধরে ক্ষমতা ও প্রভাবের কথা আলোচিত হতে থাকে। বিশেষ করে ক্ষমতাকেন্দ্রিক সংস্কৃতির অভিযোগ নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। তবে এগুলো বেশিরভাগ সময় অপ্রকাশ্যে থাকে। এবার সেই সামান্য আলোচনার দেয়ালে বড় ধরনের ফাটল ধরালেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। গত বৃহস্পতিবার কলকাতার টালিগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় টলিউডের প্রভাবশালী সংগঠন এবং প্রযোজক স্বরূপ বিশ্বাসকে। গ্রেপ্তারের পর তিনি সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করেছেন, যা পুনরায় আলোচনার সূত্র সৃষ্টি করেছে।
স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তার হওয়ার পর শ্রীলেখা মিত্র বলেন, “শুধু স্বরূপকে দায়ী করলে হবে না, তাঁকে তৈরি করেছে এমন একটি ব্যবস্থাকেও দায়ী করতে হবে।” তিনি জানান, এই নিষিদ্ধ প্রণালী রয়েছে যার কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন কাজ না পেয়ে বেঁকে পড়তে হয়েছিল। তিনি মন্তব্য করেন, স্বরূপ একা দায়ী নন এবং কার্যত তৃণমূল কংগ্রেস এবং শিল্পের নিয়ন্ত্রণকারী কিছু ব্যক্তি কারণে তিনি ব্যাপক আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন।
“তৃণমূল কংগ্রেস এবং শিল্পের নিয়ন্ত্রণকারী কিছু তথাকথিত শিল্পীর কারণে কার্যত ১০ বছর নিষিদ্ধ অবস্থায় ছিলাম। শিল্পের অভ্যন্তরে সেই পক্ষপাত ও ক্ষমতা বণ্টনের প্রক্রিয়া বেশি আলোচিত হতে থাকে।”
গত বছরে ক্ষমতার বিষয়টি আবার সামনে আসে। স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তারের পর একটি নতুন ধারণা দেখা দেয়, যার কারণে বিভিন্ন সংগঠন শিল্পী এবং টেকনিশিয়ানদের সঙ্গে অপ্রতুল সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এতে সামনে আসে ক্ষমতার রাজনীতি এবং কাজ বণ্টনের প্রক্রিয়া। তাঁর বিরুদ্ধে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, যার বেশিরভাগ পর্যায়ে কোনও আনুষ্ঠানিক তদন্ত হয়নি। এখন তাঁর গ্রেপ্তারের পর অনেকে আলোচনার সূত্র খুঁজে পেয়েছেন।
শ্রীলেখার ভাষায়, “আমি যা বলার ছিল বলে ফেলেছি। যে কোনও সাক্ষাৎকারের জন্য আমার সময় ও বক্তব্যের মূল্য দিতে হবে, না হলে আর সাক্ষাৎকার দেব না।” তিনি আরও দাবি করেন, একসময় তাঁকে স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কেবল একটি মন্তব্য করার জন্য আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল। এব
