অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলে পেস আক্রমণের পুরো বোলার দল নেই, বাংলাদেশকে কি এগিয়ে দিতে পারে এটি স্পষ্ট হয়েছে
এব র ক প স আক রমণ – বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সর্বশেষ তিনটি ওয়ানডে সিরিজ জয় করেছে। বিপক্ষের পেস বোলারদের বিরুদ্ধে তাদের কাটার এনেছে ম্যাচের মোড় ঘোরানো পরিচিত সাফল্য। গত মার্চে মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩ ম্যাচে নাহিদ রানার হাতে আসে সিরিজসেরা স্বাক্ষর। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সে আবার ৮ উইকেট নেয় নিয়মিত খেলার মাধ্যমে বড় সাফল্য অর্জন করেছেন।
এবার তাদের সম্মুখে অস্ট্রেলিয়া আসছে। যে দল সব সময় পেস বোলারদের জন্য খ্যাতি রেখেছে সেই দলে নাথান এলিস ছাড়া জশ হ্যাজলউড ও প্যাট কামিন্সের মতো তারকাদের নেই। বর্তমান স্কোয়াডে পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে অভিজ্ঞ এলিস খেলেছেন মাত্র ২০ ওয়ানডে। বাকি তিনজনের মধ্যে জেভিয়ার বার্টলেট ও বেন ডোয়ারশুইস খেলেছেন ৬ ম্যাচ। লিয়াম স্কটের অভিষেক এখনো হয়নি।
সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জশ ইংলিস বলেন, ‘আমাদের কোচিং স্টাফ রিশাদ হোসেনকে খুব কাছ থেকে দেখেছে হোবার্টে তার খেলা। সে আসলেই খুব ভালো একজন বোলার। বিগ ব্যাশে খেলেছে তাই আমাদের বেশ কয়েকজন তাকে ভালোভাবে দেখেছে।’ বাংলাদেশের স্পিন বোলারদের একজন ভরসার হোসেন অস্ট্রেলিয়ান কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা হারিয়েছেন। গত বিগ ব্যাশে হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে ১২ ম্যাচে ১৫ উইকেট নেন তিনি।
‘আমরা সিরিজটা শেষ হলেই উত্তরটা পেয়ে যাব! যে কয়েকজন খেলোয়াড় আমাদের স্কোয়াড থেকে বাইরে চলে গেছে তবে আমি মনে করি নাথান এলিস, জেভিয়ার বার্টলেট বা বেন ডোয়ারশুইস দলের মতো এখন বেশ ভালো অভিজ্ঞতা হয়েছে। তাই তারাও দারুণ সম্ভাবনাময় হতে পারে।’
ইংলিস এখন নাহিদ রানাকে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের খাটিয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে সেটা জানেন। তিনি বলেন, ‘আমি যে খুব বেশি তার বোলিং দেখেছি তা নয়। কিন্তু যতটুকু দেখেছি তার সাথে খুব ভালো একজন বোলার বলে মনে হয়। লম্বা, জোরে বল করতে পারে তার কম্বিনেশন খুব চমৎকার ব্যাপার। আমাদের সবার জন্য তাকে সামলানো বেশ কঠিন হতে যাচ্ছে।’
বাংলাদেশের পেস আক্রমণ এখন দুটি বোলারের বাইরে অন্য কার কার্যকর হতে পারে না। মোসাদ্দেকের জাতীয় দলে ফেরার ৪ বছর পর তাঁর ভূমিকা কী হবে সেটি এখন সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সিরিজে তারা কী করতে পারে সেটি দেখার জন্য আমি মুখিয়ে আছ
