হ ম ও ব শ বক: হিমু ও বিশ্বকাপের মূল্যবান টাকা সংগ্রামে
হ ম ও ব শ বক প – হিমু এবং বিশ্বকাপ একটি সংগ্রামে সামিল হয়েছিল। তার পকেটে কোনো মূল্যবান চিন্তা রাখা যায়নি কারণ তার হলুদ পাঞ্জাবিতে পকেট থাকে না। হিমুর বাবা তাকে মহাপুরুষ হতে হবে বলে কয়েকটি শর্ত দিয়েছিলেন। সেই শর্তগুলোর একটি ছিল এই যে তার খালার বাসায় সাপ্তাহিক তিন হাজার টাকা পৌঁছাতে হবে। হিমু নিয়ম অনুযায়ী টাকা সংগ্রামে সামিল হয়েছে বলে সে মনে করে।
হিমুর পথে ভাসমান দুনিয়া
আজ দিনটা মাসের ২৩ তারিখ। হিমু খালার বাসার দিকে হাঁটছে। ধানমন্ডি কেন্দ্র থেকে নিউমার্কেট এলাকার মাঝে হাঁটার পথে বিশ্বকাপের খবর ভাসছে কেন্দ্রীয় দিকে। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকা প্রধানত উড়ছে। হিমু মনে করে যে সাপ্তাহিক তিন হাজার টাকার লক্ষ্য সাধনে ক্ষমতা হারাচ্ছে বিশ্বকাপের উত্সাহে।
রাস্তার পাশে আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে দেওয়া শরবত বিক্রেতাকে হিমু জিজ্ঞেস করে, আপনি কি বিশ্বকাপের খবর জানেন? হিমু বিশ্বকাপের উত্সাহে দ্রব্যমূল্য চড়ছে বলে মনে করে।
খালু হিমুকে বলেছিলেন যে হিমু ও বিশ্বকাপের মাধ্যমে সামাজিক সম্পর্ক বাড়িয়ে তার প্রতিষ্ঠান করতে হবে। হিমু জিজ্ঞেস করে বলে, আপনি কোনো দলের সাপোর্টার হিসেবে কাজ করেন? খালু বলেন, হিমু, আমি কোনো দেশের সাপোর্টার না। খেলা দেখতে চাই হিমু ও বিশ্বকাপের সময়।
বিশ্বকাপের সার্থক করেছে কি হিমু?
ফেসবুকে হিমু বলেন যে আপনি কি মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদা পূরণ করেছেন? হিমু বলেন যে সার্থক হিমু ও বিশ্বকাপের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য চড়ছে এটাই তার মনে হয়। খালু বলেন, গ্রিক সভ্যতা অনেক পুরোনো। প্রাচীন গ্রিসে অলিম্পিক গেমস প্রথম শুরু হয়েছিল অলিম্পাস পর্বতমালার পাদদেশে। তার উদ্দেশ্য ছিল দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানো। কিন্তু বিশ্বকাপের কারণে তা হচ্ছে উল্টো দিকে।
হিমু বিশ্বকাপের প্রতি উদ্বিগ্ন হচ্ছে বলে মনে করে। সাপ্তাহিক তিন হাজার টাকার লক্ষ্য করে তার নিয়ম অনুযায়ী সামিল হয়েছে তবে বিশ্বকাপের উত্সাহে তার দুর্গম আকাশে ভাসছে সামাজিক উত্সাহ। তিন হাজার টাকার চাহিদা পূরণ করতে হিমু ও বিশ্বকাপের মা�
