Uncategorized

মদনপুর আলোর পাঠশালাই এখানকার শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা

মদনপুর আলোর পাঠশালা: শিক্ষার আলো বিছানো এক আশা মদনপ র আল র প ঠশ ল - মদনপুর ইউনিয়ন ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ। এখানে

Desk Uncategorized
Published June 26, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মদনপুর আলোর পাঠশালা: শিক্ষার আলো বিছানো এক আশা

মদনপ র আল র প ঠশ ল – মদনপুর ইউনিয়ন ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ। এখানে মেঘনা নদীর মাঝখানে স্থাপিত হয়েছে দুইটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলি সংখ্যায় তিনটি থাকার সত্ত্বেও মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য কোনো বিদ্যালয় নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে সুযোগ পেয়ে না। তাদের জীবিকা নির্বাহ করার জন্য কৃষিকাজ এবং মেষপালন গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষার জন্য পথ খুঁজে বার্ষিক আলোর পাঠশালা

এই সমস্যা দূর করতে প্রথম আলো ট্রাস্ট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মদনপুর আলোর পাঠশালা। স্কুলে আসার সময় কৃষি কাজে বাড়িতে যাওয়া সাধারণ। সন্তানরা কৃষি বছরের মধ্যে বাড়িতে সাহায্য করে মাধ্যমিক শিক্ষা অর্জন করতে পারে। তবে স্কুলে আসার পরিবেশ বেশির ভাগ সময় বিপর্যয়ের মতো হয়ে ওঠে।

বিদ্যালয়ের পরিবেশে বাসিনদের কৃষি মৌসুম ও বাগদার মৌসুম বাড়ি থেকে শিক্ষার্থীদের বাধা হয়। কৃষি কাজ করার সময় পিতা-মাতারা তাদের সন্তানদের কিছু কিছু কাজ করতে হয়। এই জন্য শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিচ্ছিন্ন হয়ে ওঠে।

মদনপুর আলোর পাঠশালার শিক্ষকরা সকল বিষয়ে প্রবেশ করেছেন আলোকিত করতে। স্কুলে আসা যাওয়া এবং লেখাপড়া সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে বিন্যস্ত হয়েছে। এই পাঠদান ব্যবস্থার কারণে এখানকার শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা হয়েছে পাঠশালা।

মাধ্যমিক শিক্ষার স্বপ্ন কেন্দ্রবিন্দুতে

আলোর পাঠশালা স্থাপনের পর থেকে বাসিনদের কিছু পরিবর্তন হয়েছে। কৃষি মৌসুমে সন্তানদের প্রতিকূলতা কমে এসেছে কিন্তু তাদের কৃষি কাজে সহযোগিতা করতে হয়। কিন্তু প্রতিদিন সকালে আলোর পাঠশালার শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষার আলো বিছিয়ে দিয়েছে নিজেদের স্বপ্ন পূরণের জন্য।

তাদের পিতা-মাতারা কৃতজ্ঞ রয়েছে প্রথম আলো ট্রাস্টের প্রতি। স্কুলে চলার সময় বাবা-মাই কোন কিছু বলতে পারে না বলে মনে হয়। কোন শ্রেণিতে পড়ছে সন্তানরা তার বার্তা পরিবারে অনেকে জানে না। এটি শিক্ষার জন্য একটি নিরাপদ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।

Leave a Comment